আল্লাহ, রাসূল ও আখিরাতে সঠিকভাবে ঈমান আনার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে যে
সম্পর্ক সৃষ্টি হয় তা আল্লাহ তাআলা সূরা আন নাসে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে
দিয়েছেন। আল্লাহ মানুষের রব, বাদশাহ ও ইলাহ বা মাবূদ । কুরআনে আরও একটি
সম্পর্কের কথা বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। সেটি আরো আবেগময়।আল্লাহ তাআলা
দুনিয়া ও আখিরাতে ঈমানদারদের ওয়ালী বা অভিভাবক। জীবন্ত নামায আল্লাহর সাথে এ
চার রকম সম্পর্ক মযবুত করতে থাকে। মুমীনের রুহানী তরক্কীর জন্য নামাযই
সবচেয়ে বেশি কার্যকর । রাসূল (স) নামাযকে তাঁর চোখের মণি বলেছেন। কখনো কোন
পেরেশানীর কারণ ঘটলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়াসল্লাম নামাযের মাধ্যমে
প্রশান্তি বোধ করতেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদীসে বলেন: ()
বোখারী শরীফে বর্ণিত এ হাদীসটির অর্থ : তোমাদের কেউ যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন সে তার রবের সাথে গোপনে কথা বলে এবং তার রব তার ও কিবলার মাঝে বিরাজ করেন।
জীবন্ত নামাযের বাস্তব অবস্থা এটাই । মুমিন দুনিয়াকে পেছনে রেখে নামাযে যখন দাঁড়ায় তখন তার ও কিবলার মাঝে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ থাকে না। নামাযে যা কিছু পড়া হয় এ সবই আল্লাহর সাথে একান্তে বলা হয়। তাই এ সবই আল্লাহর সাথে গোপন সংলাপ।
নামায মুমিনের মেরাজ কথাটি প্রচলিত আছে। সহী হাদীসে এ ভাষায় কথাটি না থাকলেও উপরের হাদীসটি থেকে একথাটি নামাযের বেলায় প্রযোজ্য । পার্থক্য এটুকু অবশ্য রয়েছে যে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেরাজে গিয়েছিলেন সশরীরে আর নামাযে মুমীনের মেরাজ হয় শুধু রূহানীভাবে। নামাযে আল্লাহরই সাথে নামাযীর সংগোপনে সংলাপ চলে । এটা অন্তরে অনুভব করার বিষয় । নামায যতটা জীবন্ত হয় এ অনুভুতি ততই গভীর হয়।
বহু হাদীস থেকে জানা যায়, অগণিত ফেরেশতা নামাযের বিভিন্ন অবস্হায় রয়েছে। একদল ফেরেশতা শুধু দাঁড়িয়ে আছে, একদল শুধু রুকুতে আছে, একদল শুধু সিজদায় আছে। হাদীস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় না যে, কোন একদল ফেরেশতা পূর্ণ নামায আদায় করে।
আল্লাহ তাআলা মানুষকে পূর্ণ নামায আদায়ের মাধ্যমে ফেরেশতার চেয়ে মর্যাদা দান করেছে। তাই আল্লাহর সাথে বান্দাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার জন্য নামাযই শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। জীবন্ত নামাযের মজা যারা পেয়েছে তাদের নিকট নামাযই সবচেয়ে প্রিয় । নামাযেই আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়া যায়।
নামাযে দেহ ও রূহ নির্মাণের জন্য যা করণীয় তা প্রতি ওয়াকতে এবং প্রতি রাকআতে করা সম্ভব নয়। এর জন্য মনকে অবসর করে প্রয়োজনীয় যথেষ্ট সময় লাগিয়ে নামায আদায় করতে হয়। এর জন্য উপযুক্ত সময় হলো শেষ রাত। তাহাজ্জুদের অভ্যাস করতে পারলেই এটা সম্ভব ও সহজ মনে হবে। ৫ ওয়াকতের নামাযে তাহাজ্জুদের মতো নিরিবিলি পরিবেশ ও মানবিক প্রস্তুতি সম্ভব নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয নামাযের পর তাহাজ্জুদের নামায একই সকল নফল নামাযের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষনা করেছেন। তাহাজ্জুদ সম্পর্কে একটি হাদীস উল্লেখ করাই যথেষ্ট মনে করি :
অর্থ : রাত জাগা তোমাদের কর্তব্য । কেননা এটা তোমাদের পূর্ববর্তী নেক লোকদের তরীকা, তোমাদের রবের নৈকট্যের মাধ্যমেই আগের গুনাহর কাফফারা এবং গুনাহ থেকে বিরত রাখার উপায়।(তিরমিযী)
রাসূল (স) এ হাদীসে তাহাজ্জুদের ৪টি ফযীলত বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আল্লাহর নৈকট্য একটি আল্লাহর দরবারে ধরনা দেবার শ্রেষ্ঠ মাধ্যমই হলো নামায। আল্লাহর সাথে এটা বান্দাহর সরাসরি সম্পর্কের মহা সুযোগ।
নামাযের রূহের দিকটাকে না বুঝলে নামায নিতান্তই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হতে বাধ্য । এ প্রাণহীন নামাযে কী করে মজা পাওযা যেতে পারে। এ জাতীয় নামাযই আমাদের সমাজে চালু আছে। এ কারণেই এ ধরনের নিস্প্রাণ নামায দ্বারা নামাযের উদ্দেশ্য পূরণ হতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
অর্থ : আমাকে স্মরণে রাখার জন্য নামায কায়েম কর। (সূরা তোয়াহা : ১৪ )
বারবার নামাযে হাযির হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় । যাতে আল্লাহর কথা ভুলে না যায় সেজন্যই বারবার নামায । নামায শেষ হলে দুনিয়ার দায়িত্ব পালনকালে কি আল্লাহকে ভুলে থাকার অনুমতি আছে?
সূরা জুমআর ১০ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন :
অর্থ : যখন নামায শেষ হয় তখন যমীনে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিযক) তালাশ কর। এ সময় আরও বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।
এ আয়াতে নামাযের বাইরে আরও বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাদীসে আছে যে আল্লাহ বলেন, “ বান্দাহ যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। যখন সে একা স্মরণ করে আমিও তখন একা তাকে স্মরণ করি। যখন সে কোন জামায়াতে আমাকেস্মরণ করে তখন এর চেয়ে ভাল জামায়াতে (ফেরেশতাদের মধ্যে )আমি তাকে স্মরণ করি। যখন সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তখন তার দিকে একহাত এগিয়ে যাই। যখন সে একহাত আমার দিকে এগিয়ে আসে আমি তার দিকে একগজ এগিয়ে যাই। যখন সে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তখন তার দিকে দৌড়ে যাই।”
আল্লাহর সাথে বান্দাহর এ সম্পর্ক নামাযের মাধ্যমেই গড়ে উঠে ও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
বিতরের নামায
বিতরের নামাযের সঠিক সময় তাহাজ্জুদের পর । এ নামায ওয়াজিব তাই । শেষ রাতে যারা উঠার অভ্যাস করেনি তাদেরকে এশার পরই বিতর পড়তে হয়, যাতে ওয়াজিব তরক হয়ে না যায়।
এ নামাযের তৃতীয় রাকাআতে দোয়া কুনুত পড়তে হয়। এ দোয়াটির অর্থের দিকে খেয়াল করলে বুঝা যায় যে, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করাই এর উদ্দেশ্য। দোয়াটি বড়ই আবেগময়। কুনুতে দুটো দোয়াই প্রচলিত। এর একটি হানাফী মাযহাব অনুসারী নামাযীদের মধ্যে এবং অপরটি আহলি হাদীসের মধ্যে প্রচলিত। দোয়া দুটোর অনুবাদ এখানে পেশ করা হল :
link
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদীসে বলেন: ()
বোখারী শরীফে বর্ণিত এ হাদীসটির অর্থ : তোমাদের কেউ যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন সে তার রবের সাথে গোপনে কথা বলে এবং তার রব তার ও কিবলার মাঝে বিরাজ করেন।
জীবন্ত নামাযের বাস্তব অবস্থা এটাই । মুমিন দুনিয়াকে পেছনে রেখে নামাযে যখন দাঁড়ায় তখন তার ও কিবলার মাঝে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ থাকে না। নামাযে যা কিছু পড়া হয় এ সবই আল্লাহর সাথে একান্তে বলা হয়। তাই এ সবই আল্লাহর সাথে গোপন সংলাপ।
নামায মুমিনের মেরাজ কথাটি প্রচলিত আছে। সহী হাদীসে এ ভাষায় কথাটি না থাকলেও উপরের হাদীসটি থেকে একথাটি নামাযের বেলায় প্রযোজ্য । পার্থক্য এটুকু অবশ্য রয়েছে যে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেরাজে গিয়েছিলেন সশরীরে আর নামাযে মুমীনের মেরাজ হয় শুধু রূহানীভাবে। নামাযে আল্লাহরই সাথে নামাযীর সংগোপনে সংলাপ চলে । এটা অন্তরে অনুভব করার বিষয় । নামায যতটা জীবন্ত হয় এ অনুভুতি ততই গভীর হয়।
বহু হাদীস থেকে জানা যায়, অগণিত ফেরেশতা নামাযের বিভিন্ন অবস্হায় রয়েছে। একদল ফেরেশতা শুধু দাঁড়িয়ে আছে, একদল শুধু রুকুতে আছে, একদল শুধু সিজদায় আছে। হাদীস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় না যে, কোন একদল ফেরেশতা পূর্ণ নামায আদায় করে।
আল্লাহ তাআলা মানুষকে পূর্ণ নামায আদায়ের মাধ্যমে ফেরেশতার চেয়ে মর্যাদা দান করেছে। তাই আল্লাহর সাথে বান্দাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার জন্য নামাযই শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। জীবন্ত নামাযের মজা যারা পেয়েছে তাদের নিকট নামাযই সবচেয়ে প্রিয় । নামাযেই আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়া যায়।
নামাযে দেহ ও রূহ নির্মাণের জন্য যা করণীয় তা প্রতি ওয়াকতে এবং প্রতি রাকআতে করা সম্ভব নয়। এর জন্য মনকে অবসর করে প্রয়োজনীয় যথেষ্ট সময় লাগিয়ে নামায আদায় করতে হয়। এর জন্য উপযুক্ত সময় হলো শেষ রাত। তাহাজ্জুদের অভ্যাস করতে পারলেই এটা সম্ভব ও সহজ মনে হবে। ৫ ওয়াকতের নামাযে তাহাজ্জুদের মতো নিরিবিলি পরিবেশ ও মানবিক প্রস্তুতি সম্ভব নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয নামাযের পর তাহাজ্জুদের নামায একই সকল নফল নামাযের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষনা করেছেন। তাহাজ্জুদ সম্পর্কে একটি হাদীস উল্লেখ করাই যথেষ্ট মনে করি :
অর্থ : রাত জাগা তোমাদের কর্তব্য । কেননা এটা তোমাদের পূর্ববর্তী নেক লোকদের তরীকা, তোমাদের রবের নৈকট্যের মাধ্যমেই আগের গুনাহর কাফফারা এবং গুনাহ থেকে বিরত রাখার উপায়।(তিরমিযী)
রাসূল (স) এ হাদীসে তাহাজ্জুদের ৪টি ফযীলত বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আল্লাহর নৈকট্য একটি আল্লাহর দরবারে ধরনা দেবার শ্রেষ্ঠ মাধ্যমই হলো নামায। আল্লাহর সাথে এটা বান্দাহর সরাসরি সম্পর্কের মহা সুযোগ।
নামাযের রূহের দিকটাকে না বুঝলে নামায নিতান্তই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হতে বাধ্য । এ প্রাণহীন নামাযে কী করে মজা পাওযা যেতে পারে। এ জাতীয় নামাযই আমাদের সমাজে চালু আছে। এ কারণেই এ ধরনের নিস্প্রাণ নামায দ্বারা নামাযের উদ্দেশ্য পূরণ হতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
অর্থ : আমাকে স্মরণে রাখার জন্য নামায কায়েম কর। (সূরা তোয়াহা : ১৪ )
বারবার নামাযে হাযির হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় । যাতে আল্লাহর কথা ভুলে না যায় সেজন্যই বারবার নামায । নামায শেষ হলে দুনিয়ার দায়িত্ব পালনকালে কি আল্লাহকে ভুলে থাকার অনুমতি আছে?
সূরা জুমআর ১০ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন :
অর্থ : যখন নামায শেষ হয় তখন যমীনে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিযক) তালাশ কর। এ সময় আরও বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।
এ আয়াতে নামাযের বাইরে আরও বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাদীসে আছে যে আল্লাহ বলেন, “ বান্দাহ যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। যখন সে একা স্মরণ করে আমিও তখন একা তাকে স্মরণ করি। যখন সে কোন জামায়াতে আমাকেস্মরণ করে তখন এর চেয়ে ভাল জামায়াতে (ফেরেশতাদের মধ্যে )আমি তাকে স্মরণ করি। যখন সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তখন তার দিকে একহাত এগিয়ে যাই। যখন সে একহাত আমার দিকে এগিয়ে আসে আমি তার দিকে একগজ এগিয়ে যাই। যখন সে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তখন তার দিকে দৌড়ে যাই।”
আল্লাহর সাথে বান্দাহর এ সম্পর্ক নামাযের মাধ্যমেই গড়ে উঠে ও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
বিতরের নামায
বিতরের নামাযের সঠিক সময় তাহাজ্জুদের পর । এ নামায ওয়াজিব তাই । শেষ রাতে যারা উঠার অভ্যাস করেনি তাদেরকে এশার পরই বিতর পড়তে হয়, যাতে ওয়াজিব তরক হয়ে না যায়।
এ নামাযের তৃতীয় রাকাআতে দোয়া কুনুত পড়তে হয়। এ দোয়াটির অর্থের দিকে খেয়াল করলে বুঝা যায় যে, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করাই এর উদ্দেশ্য। দোয়াটি বড়ই আবেগময়। কুনুতে দুটো দোয়াই প্রচলিত। এর একটি হানাফী মাযহাব অনুসারী নামাযীদের মধ্যে এবং অপরটি আহলি হাদীসের মধ্যে প্রচলিত। দোয়া দুটোর অনুবাদ এখানে পেশ করা হল :
“ হে আল্লাহ! আমরা তোমারই সাহায্য চাই। তোমারি নিকট ক্ষমা চাই, তোমারই প্রতি ঈমান রাখি, তোমারই উপর ভরসা করি এবং সকল মঙ্গল তোমারই দিকে ন্যস্ত করি। আমরা তোমার কৃতজ্ঞ হয়ে চলি, অকৃতজ্ঞ হই না। আমরা তোমার অবাধ্যদের সাথে সম্পর্ক রাখিনা। হে আল্লাহ! আমরা তোমারই দাসত্ব করি, তোমারই জন্য নামায পড়ি এবং তোমাকেই সিজদা করি। আমরা তোমারই দিকে দৌড়াই ও এগিয়ে চলি। আমরা তোমরাই রহমত আশা করি এবং তোমার আযাবকে ভয় করি। আর তোমার আযাবতো কাফিরদের জন্যই নির্ধারিত।“হে আল্লাহ তুমি যাদেরকে সঠিক পথ দেখিয়েছ, আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে তাদের মধ্যে শামিল কর। যাদেরকে ক্ষমা ও সুস্থতা দান করেছ, আমাকেও ক্ষমা ও সুস্থতা দান করে তাদের অন্তর্ভুক্ত কর। তুমি তাদের অভিভাবক হয়েছ, আমাকেও তাদের মধ্যে শামিল কর। তুমি আমাকে যা দিয়েছ তাতে বরকত দান কর। তোমার মন্দ ফায়সালা থেকে আমাকে রক্ষা কর। তুমিই আসল ফায়সালাকারী, তোমার উপর কারো ফায়সালা চলে না। তুমি যার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছ তাকে কেউ অপদস্থ করতে পারে না। তুমি যাকে শত্রু সাব্যস্ত করেছ তাকে কেউ ইজ্জত দিতে পারে না। হে আমাদের রব! তুমিই বরকতময় ও মহান।”
link
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন