শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

পুরান ঢাকার খাবার হোটেল

ভোজন রসিক বাঙালির রসনা তৃপ্তিতে পুরান ঢাকার রেস্তোরাঁগুলো অতুলনীয়। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ভূরিভোজ করা যেতে এমন কিছু রেস্তোরাঁর তালিকা দেওয়া হল।
মামুন বিরিয়ানি হাউস
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : তেহারি। আস্ত মোরগ দিয়ে বল (প্রতি মাসের ৪ তারিখ)। বিরিয়ানি দাম ৩শ’ টাকা।
খোলা : সকাল ৮ থেকে রাত ৩টা।
আফতাব হোটেল
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বাসমতি চালের ভুনা খিচুড়ি, দাম ১শ’ টাকা। ইলিশ খিচুড়ি ১৫০ টাকা। রুই খিচুড়ি ১৫০।
খোলা : দুপুর ১২ থেকে রাত ৪টা।
ক্যান্ডেল লাইট রেস্টুরেন্ট
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : মাছ ৩৬০ টাকা। মিক্সড ভেজিটেবল ২৮০ টাকা। ফ্রাইড রাইস ২৪০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা।
নিরব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট
১১৩/২ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : ব্রেইন ফ্রাই ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা-ভাজি।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা। রমজান মাস বন্ধ।
রয়্যাল হোটেল কাচ্চি
লালবাগ চৌরাস্তার মোড়।
বিশেষ খাবার : জাফ্রান বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা, লাবাঙ।
খোলা : সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা।
শমসের আলীর ভুনা খিচুড়ি
বংশাল চৌরাস্তা মোড়।
বিশেষ খাবার :  ভুনা খিচুড়ি।
খোলা : সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা।
মিয়াজি বিরিয়ানি
৩০/এ কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিরা বাজার ঢাকা ১০০০।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।
বিসমিল্লাহ বটি কাবাব ঘর
৭/বি কাজী আলাউদ্দিন রোড ঢাকা ১০০০।
খোলা : দুপুর ১২ টা থেকে রাত ১২টা।
হাজীর বিরিয়ানি
৭০ কাজি আলাউদ্দিন রোড, নাজিরা বাজার, ঢাকা ১০০০।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি বক্স ১৫০।
খোলা : ১২টা থেকে রাত ১০টা।
হোটেল আল রাজ্জাক
৩০ শহীদ নজরুল ইসলাম স্মরণী, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : খাসির গ্লাসি ও কাচ্চি।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০ টা।
লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
৩৪/এ লালবাগ রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাবাব বন।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা।
কালাম’স কিচেন
৩৪/এ জনসন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : ফ্রাইড রাইস, দাম ২২০ টাকা।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।
কাশ্মির কাচ্চি
৩৪/এ পাটুয়াটুলী, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাচ্চি দাম ১২০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা।
বুদ্ধুর পুরি
ডালপট্টি মোড় সুত্রাপুর, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : পুরি দাম ২ ও ৪ টাকা।
খোলা : সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা।
বিউটির লাচ্ছি
৩০/এ জনসন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : লাচ্ছি ও লেবুর শরবত।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।
কলকাতা কাচ্চি ঘর
১৪ আবুল হাসনাত রোড, সাতরওজা ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বাসমতি চালের কাচ্চি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।
মাখন বিরিয়ানি
রায় সাহেব বাজার মোড়।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা।
আল্লারদান বিরিয়ানি
২২ ডিস্টিলারি রোড গেন্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি।
খোলা থাকে : দুপুর ১২টা থেকে রাত ৩টা।
রহমানের কাবাব
২৮ ডিস্টিলারি রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাবাব।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।
কাশ্মির কাচ্চি
৩৪/এ পাটুয়াটুলি, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাচ্চি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।
ঝুনুর পোলাও
১১ নারিন্দা রোড ঢাকা।
বিশেষ খাবার : পোলাও
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।
সুলতানের চা
ভিক্টোরিয়া পার্ক, সদরঘাট, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বিট লবণের লাল চা ও গুড়ের চা।
নুরানি শরবত
চকবাজার জামে মসজিদের নিচে
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।
সোনা মিয়ার দই
৩৩/এ রজনি চৌধুরী রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : টক ও মিষ্টি দই।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।
বিউটি বোর্ডিং
১ শ্রীশ দাস লেন, বাংলাবাজার ঢাকা।
বিশেষ খাবার : সরষে ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মাছ।
খোলা : সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা।
* দাম ও সময় পরিবর্তনীয়

গাড়ী চুরি হয়েছে? কি করবেন?

যাদের ব্যক্তিগত গাড়ী আছে তাদের জন্য গাড়ীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন অনেকটা মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের বাড়ির সুরক্ষিত গ্যারেজে সাধের গাড়িটির নিরাপত্তা যেন নিছিদ্র নয়। আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চোরের দল অনায়াসেই তালা ভেঙ্গে গাড়ী সমেত নিয়ে পালাচ্ছে। রাস্তা ঘাটে গাড়ী পার্কিং করে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়া বা মার্কেটিং এ যাওয়া অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ড্রাইভারদের উপরেও এখন সততার সেই বিশ্বাসটা শতভাগ রাখা যাচ্ছে না।
দূরভাগ্যক্রমে সাধের গাড়িটি চুরি হয়ে গেলে বা গাড়ীর কোন যন্ত্রাংশ খোয়া গেলে কি করবেন?
নিরুপায় অবস্থায় এ ধরনের সমস্যায় পড়লে আপনি দেশের প্রচলিত আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। গাড়ির কোনো যন্ত্রাংশ চুরি হলেও আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক কাজঃ কি করবেন?

  • গাড়িটি যে এলাকা থেকে চুরি হয়েছে সেই এলাকার থানার দায়িত্বে নিয়োজিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবর গাড়ি চুরি যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করে একটি লিখিত অভিযোগ করতে হবে।
  • চুরির ঘটনাটি যদি কোন জেলার মহানগর এলাকায় হয়, তাহলে আপনি জেলা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের কাছেও একটি লিখিত অভিযোগ করতে পারেন।
  • চুরির ঘটনা উল্লেখ করে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে থানায় সরাসরি মামলা করতে পারেন, অথবা গাড়ি চুরির বিষয়টি জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে পারেন। এজাহারে/জিডিতে গাড়ির নম্বর, চুরি সংগঠনের স্থান,সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করতে হবে। এজাহারে যদি সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে চান,সেক্ষেত্রে সেই সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে দিবেন।
  • অনেক সময় ড্রাইভাররাও বিশ্বাস ভঙ্গ করে গাড়ি চুরি করে পালিয়ে যায়। এক্ষেত্রে চালক যদি সন্দেহের তালিকায় থাকে, সেক্ষেত্রে চালকের নাম-ঠিকানাসহ বিস্তারিত উল্লেখ করে দিবেন। থানায় এজাহার করা সম্পন্ন হলে, একজন তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলাটির দায়িত্ব অর্পন করা হবে। তদন্ত কর্মকর্তাকে গাড়ী চুরির তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দিয়ে আপনাকে নিয়মিত সহযোগিতা করতে হবে।
  • আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে “ভেহিকল ট্যাকিং” নামে নতুন ডিজিটাল নামফলক ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ডিজিটাল নামফলকে গাড়ির সব তথ্য হালনাগাদ করা থাকে। এ নামফলকের সঙ্গে মুঠোফোনের সিমের মতো ছোট একটি ডিভাইস ব্যবহারের ফলে গাড়িটির অবস্থান কোথায় নির্নয় করা যায়। ডিজিটাল নামফলক ব্যবহারে সচেতন থাকবেন।
  • গাড়ির চুরির ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে চোরাই গাড়ী উদ্ধার ও উপযুক্ত বিচার দাবী করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। গাড়ির মালিক হিসেবে আপনাকে সময়মত আদালতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য একাধিক বার হাজিরা দিতে হতে পারে।
  • হারিয়ে যাওয়া গাড়ির ফাস্ট পার্টি বীমা করা থাকলে, ঘটনার অব্যবহিত পরে নিকটস্থ থানায় প্রথমে এজাহার বা জিডি করে বীমা কোম্পানির কাছে গাড়ীর বীমার টাকা দাবী করে এজাহার/জিডি'র কপিসহ আবেদন করুন।
  • শেষ কথা- যা কিছু হোক না কেন, সাহস ও ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। link

কিভাবে ওডেস্ক এর টাকা ব্যাংক এর মাধ্যমে তুলবেন।

প্রথমেই আপনার অডেস্ক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন তারপর [Wallet] এ ক্লিক করুন ।

তারপর নিচের ইমেজ এর মত করে অ্যাড বাটন এ ক্লিক করুনঃ
pic2
তাহলে নিচের মত দেখতে পাবেন । ওয়্যার ট্রান্সফার এর পাশে সেট আপ এ ক্লিক করুন ।
pic4
ওয়্যার ট্রান্সফার এর পাশে সেট আপ এ ক্লিক করলে নিচের মত আপনার কাছে আপনার ব্যাংক এর SWIFT কোড চাইবে । না জানলে, গুগল করুন । প্রত্যেক শাখার জন্য আলাদা আলাদা সুইফট কোড থাকে । আপনার ব্যাংক যদি মফস্বলে হয় তাহলে হেড অফিস এর সুইফট কোড ব্যাবহার করুন । হালবত কাজ হইবেক icon biggrin যেভাবে অডেস্ক এর টাকা ব্যাংক এর মাধ্যমে তুলবেন
pic51
সুইফট কোড লিখে GO বাটন এ ক্লিক করুন তাহলে ব্যাংক এর নাম চলে আসবে নিচের মত পুরণ করুন বক্স গুলোঃ
pic6
অ্যাড হয়ে গেল আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট । অ্যাড হয়ে গেলে ওয়ালেট অপশন এ নিচের মত দেখতে পাবেনঃ
pic7
৫১ ডলার হলেই ব্যাংক এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন । প্রথম বার অডেস্ক কোন ফী রাখবে না । কিন্তু ২য় বার থেকে ৪ পয়েন্ট ৯৯ ডলার হারে ফী প্রযোজ্য হবে ।
৫১ ডলার হলে আপনার ওয়ালেট অপশন থেকে Withdraw ক্লিক করুন । নিচের মতনঃ
pic8
http://kasperwindow.blogspot.com/
তারপর ড্রপ ডাউন থেকে ব্যাংক এর নাম সম্বলিত অপশন সিলেক্ট করুন । তারপর অ্যামাউন্ট লিখে নিচের মতন ক্লিক করুনঃ
pic9
এরপর আপনি ১-২ দিন ওয়েট করে, ব্যাংক এ খোঁজ নিন, এসে যাবে

link 

ফরমালিন বা কার্বাইডমুক্ত আম চেনার উপায়

বাজারে গেলেই এখন চোখে পরে বিভিন্ন রকমের সুন্দর সুন্দর ফল। এর মধ্যে আম, জাম,কাঁঠাল লিচু কোনো টাই যেন বাদ নেই। তবে এখন আমের প্রতিই যেন সবার আগ্রহটা একটু বেশি। কিন্তু এত আমের ভিড়ে কিভাবে বুঝবেন কোন আমটি ভালো এবং ফরমালিন বা কার্বাইডমুক্ত?
তো আসুন কিভাবে ফরমালিনমুক্ত আম চেনা যায় তার কিছু উপায় আমরা জেনে নেই-
১. প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে, আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। যদি আমের গায়ে মাছি বসে তবে সেটা ফরমালিনমুক্ত আম, কারণ ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না।
২. আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে, আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩. কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪. গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫. হিমসাগর ছাড়াও আরো নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬. আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭. আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, তবে তখন বুঝবেন যে আমটি ফরমালিনযুক্ত।
link 

দাফন কাফন কিভাবে করাবেন জেনে নিন

জাতীর কণ্ঠ :: মানুষ জন্মের সাথে যে চিরসত্য নিয়ে পৃথীবিতে আসে তা হল মৃত্যু।জীবন যাকে দেওয়া হয়েছে তাকে এই স্বাদ নিতে হবেই।স্বয়ং এই দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতাও মৃত্যুবরণ করবেন।এই চিরন্তন সত্যটি আমরা জানা সত্ত্বেও এই নিয়ে আমাদের তেমন কোন চিন্তা নেই।আরো আফসোস হল মানুষ মারা যাওয়ার পর কিভাবে তাকে কাফন-দাফন দেওয়া হবে সে সম্পর্কে কিছু মানুষ ছাড়া প্রায় সবাই জানেনা।আবার যারা জানে তারা প্রচুর ভুল করে।আপনি না জানার কারনে তার ভুল ধরতে পারছেন না।অথচ একজন মুসলিম হিসেবে এই সম্পর্কে জানা আবশ্যক।আজ জেনে নিন এ সম্পর্কে।তাহলে আপনার পরিবারের কেউ মারা গেলে কোন হুজুর লাগবেনা আপনি নিজেই সব করতে পারবেন।
মৃত লাশকে যে কাপড় পরিধান করে সমাধিস্থ করা হয় তাকে কাফন বলে। লাশকে কাফন দেওয়া ফরযে কেফায়া। পুরুষ এবং স্ত্রী লাশের কাফন দেওয়ার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে ।যথাঃ পুরুষের জন্য মোট তিনখানা কাপড় ব্যবহার করতে হয়।
১) লেফাফা বা চাদর এটা ইজার থেকে ৯ইঞ্ছি লম্বা হবে।
২) পিরহান এটা গর্দান থেকে পা পর্যন্ত লম্বা হবে।
৩) ইযার বা তহবন্দ এটা মাথা থেকে পা পর্যন্ত লম্বা হবে।
এটা পুরুষের জন্য সুন্নত কাফন। পুরুষের জন্য কেফায়া কাফন দুইখানা; যথাঃ ১) চাদর। ২) ইযার। অর্থাৎ এই দুইখানা কাফন পরালেই ফরযে কেফায়া আদায় হয়ে যায়।ওজর বশতঃ কাপড় না পাওয়া গেলে পুরুষকে শুধু একখানা কাপড় অর্থাৎ ইযার পড়িয়েও দাফন করা যায়। এটাকে পুরুষের জরুরত কাফন বলে।
স্ত্রীলোকের জন্য সুন্নত কাফন পাঁচখানা।যার প্রথম তিনখানা পুরুষের মত আর অতিরিক্ত দুইখানা
১) ছিনাবন্দ এটা বগল থেকে রান পর্যন্ত হতে হবে।তবে নাভি পর্যন্ত হলেও চলবে। এবং
২) ওড়না। এটা তিনহাত লম্বা হবে।
স্ত্রীলোকের জন্য কেফায়া কাফন তিনখানা যথাঃ ১) চাদর ২) পিরহান এবং ৩) ইযার।
স্ত্রীলোকের জরুরত কাপড় দুইখানা। ১) চাদর (লেফাফা) এবং ২) ইযার। লেফাফা মাথা হতে পায়ের সৃদ্ধাঙ্গুলীর চেয়ে কিছু বেশী লম্বাকরবেন। পিরহান ঘাড় হতে হাঁটুর নীচ পর্যন্ত লম্বা করবেন।স্ত্রীলোকের ছিনাবন্দ হাঁটু পর্যন্ত চওড়া করবেন এবং ওড়না দুই হাত দৈর্ঘ্য ও এক হাত প্রস্থ্য রাখবেন।
কাফনরে কাপড় পরানোর নিয়ম
পুরুষরে লাশ হলে একটা খাট বা তক্তার উপরে প্রথমে চাদর তারপর ক্রমান্বয়ে ইযার ও পিরহান রাখবনে।তারপর কাফনরে উপরে লাশ শুইয়ে তাঁর নাক,ললাট ও চায়না ইত্যাদি স্থানে কিছু খুশবু আতর বা অন্য কোন সুঘ্রাণ জাতীয় জনিসি লাগিয়ে প্রথমে পিরহান পরাবনে।এই ভাবে চাঁদরও পরাবেন ।
স্ত্রীলোকরে লাশ হলে প্রথমে ছনিাবন্দ রাখবনে তারপর ক্রমান্বয়ে লফোফা, ইযার ও পিরহান রাখবনে।তারপর লাশ শয়ন করিয়ে পুরুষরে মত খুশবু আতর বা অন্য কোন সুঘ্রাণ জাতীয় জনিসি লাগিয়ে পিরহান পরাবনে।তারপর মাথার চুল দুই ভাগ করে কাঁধরে দুই দিকে এনে বুকরে ওপর রাখবনে এবং ওড়না মাথায় জড়িয়ে ওটা দিয়ে  ছিনার উপররে চুলও ঢেকে দবিনে।তারপর প্রথমে বামদিক হতে তারপর  ডানদিকে  ক্রমান্বয়ে ইযার, লফোফা ও ছনিাবন্দ পরিয়ে দিবেন ।কাফন পরান হয়ে গেলে একটু পেঁচিয়ে মাথার উপরে ও পায়রে নীচে নেকড়া কিংবা সূতা দ্বারা হালকাভাবে বেঁধে দিবেন।
কাফন পরিয়ে তাঁর উপরে কিছু আতর বা অন্য কোন সুঘ্রাণ জাতীয় জনিসি মেখে দিবেন।র্ধমযুদ্ধে শহীদ ব্যক্তিকে যমেন গোসল করানোর দরকার হয় না তমেন তাদরে কাফন পরানোর প্রয়োজন হয় না, বরং তাদরে পরিহিত রক্তমাখা কাপড়েই তাদরে দাফন করা হয়।লাশ দাফন করার পর যদি কবর হতে কোন জন্তু তা বের করে ফেলে বা অন্য কোন ভাবে বের হয়ে যায় এবং দখো যায় যে লাশরে কাপড় বিনষ্ট বা অপহৃত হয়েছে , তখন লাশ না পচে গলে আবার নতুন ভাবে কাফন দিয়ে দিবেন।আর যদি পচে গলে যায় তাহলে একখানা কাপড় দ্বারা পেঁচিয়ে দিবেন।
দাফন করার নিয়ম
কেবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে মৃতব্যক্তিকে সতর্কতার সাথে নামাবে।
কবরে রাখার সময় নিম্নোক্ত দোয়া পড়া মুস্তাহাব।

بِسْمِ اللهِ وَعَليٰ مِلَّةِ رَسُوْلِ اللهِ

অর্থঃ আলাহর নামে,আলাহর রাসুলের ধর্মের উপর তাকে রাখলাম।
মৃতব্যক্তিকে কেবলামুখী করে ডান কাতে শুইয়ে দেয়া সুন্নাত।চিত করে শুইয়ে শুধু মুখ কেবলামুখী করা যথেষ্ঠ নয়।
*কবরে রাখার পর কাফনে যে গিরা দেয়া হয়েছিল তা খুলে দিবে।
*মহিলাকে কবরে রাখার সময় পর্দা করা মুস্তাহাব।তবে যদি শরীর প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে তাহলে পর্দা করা ওয়াজিব।
*কাঠ,বাঁশ,পেপার দিয়ে ঢেকে দিবে এবং ফাকাগুলো বন্ধ করে দিবে।
*তারপর মাটি ফেলবে।মাথার দিক থেকে মাটি ফেলা মুস্তাহাব।
*প্রত্যেক ব্যক্তি উভয় হাতে মাটি নিয়ে ৩ বার ফেলবে।প্রথমবার ফেলার সময় مِنْهَا خَلَقْنَاكُمْ (তোমাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে),দ্বিতীয়বার وَ فِيْهَا نُعِيْدُكُمْ (এখানেই তোমাকে ফিরিয়ে আনা হল),তৃতীয়বার وَ مِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً اُخْرٰي (এখান থেকেই তোমাকে পুনরায় বের করা হবে) পড়বে।
*কবরের উপরের দিক এক বিঘত বা তার চেয়ে বেশী পরিমাণ উচু করা মুস্তাহাব।
*মাটি দেয়া শেষ হলে কবরের উপর পানি ছিটিয়ে দিবে।
দাফন শেষ হলে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মৃত ব্যক্তির জন্য কোরআন তেলাওয়াত,দোয়া,তাসবীহ পড়া মুস্তাহাব।

link

সহজে ফিনল্যাণ্ড এ নাগরিকত্ব

সহজেই নাগরিকত্ব আর সিকিউর Career তৈরী করা যায় বলে বাংলাদেশ সহ ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মাঝে
ফিনল্যাণ্ড এ স্টুডেন্ট হিসাবে কিংবা ওয়ার্ক পার্মিট
এ আসার আকাঙ্খা ও প্রবণতা বাড়ছে । তাই আজ , কিভাবে সহজেই
ফিনিশ নাগরিকত্ব
পাওয়া যেতে পারে সেই ব্যাপারেই আলোচনা করব । ছাত্র হিসাবে ডিগ্রী শেষ করে কিংবা working residence permit বহনকারী ব্যাক্তি হিসাবে ফিনিশ নাগরিকত্ব পাবার ক্ষেত্রে আপনাকে নিম্নোক্ত দিকগুলো খেয়াল রাখতে হবে , ১. আপনি যদি student হন তাহলে আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট স্টেটাস হবে B যেটা আপনার Permanent কোনো কাজের মাধ্যমে A স্টেটাস রেসিডেন্ট পার্মিট এ পরিবর্তন করতে হবে (ডিগ্রী শেষ করেই সাপ্তাহিক ২০ ঘন্টা কাজেই এখন সম্ভব হচ্ছে, তাই অবস্যই ডিগ্রিত সম্মানের সাথে শেষ করুন )। আর যারা normally ওয়ার্কিং পার্মিট রেসিডেন্ট এ আছেন উনাদের স্টেটাস A status ক্যাটাগরিতেই। সেইখানে নাগরিকত্বের আবেদনের ক্ষেত্রে আপনাদের সবাইকেই উপযুক্ত সময়ের জন্যই অপেক্ষা করা বাঞ্চনীয় ।
২. ফিনল্যাণ্ড এর আমরা যারা আছি তারা A status কিংবা B status এই থাকি না কেন, আপনার ফিনল্যাণ্ড এ বসবাসের সকল প্রকার সময়ই নাগরিকত্ব পাবার ক্ষেত্রে Countable । এই ক্ষেত্রে বর্তমান আপডেটেড rules এ যেটা অনুসরণ করা হচ্ছে তা হলে B status ধারী ব্যাক্তিদের দ্বিগুন বছরকে A স্টেটাস এর সমসাময়িক এক বছর ধরা হবে । আপনি যদি স্টুডেন্ট B Status ধারী ব্যাক্তি হন তবে ফিনল্যাণ্ড আপনার অতিবাহিত ৪ বছর A status resident permit এর ২ বছর হিসাবেই ধরা হবে ।
৩. A স্টেটাস এর সমসাময়িক চার বছর যদি আপনি ফিনল্যাণ্ড এ থাকেন তবে নির্দ্বিধায় ফিনিশ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন । এইক্ষেত্রে যেটার দরকার তা হলো — পর্যাপ্ত ভাষা দক্ষতার সনদ গ্রহণ (এই ক্ষেত্রে নিচের সংগৃহীত অংশটি পড়ুন ) – যৌক্তিক Permanent অর্থনৈতিক সাপোর্ট (চাকরি, ব্যাবসা) এইক্ষেত্রে অনেকেই মনে করেন ভাষার দক্ষতা পরীক্ষাটা কঠিন হতে পারে , কিন্তু এমনটা মোটেও নয়। বরং নিচের উল্লেখিত তিনটি সেট এর যেকোনো একটি সেট এ আপনি গড়ে ৩ পেলেই যোগ্যতার সাথেই পরীক্ষার সনদ আর সর্বশেষে নাগরিকত্ব পাবার ক্ষেত্রে যোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবেন । ভাষার পরীক্ষাটা অনেকটা আমাদের দেশের IELTS এর মতই হয়, অনেক ক্ষেত্রে অধিকতর সহজ। আপনি একবার এই পরীক্ষায় প্রস্তুতিমূলক হিসাবে এমনি এমনি অংশগ্রহন করে দেখতে পারেন, যেটা আমি suggest করব ।
1. speaking and writing, or
2. listening comprehension and writing, or
3. reading comprehension and speaking.
অভয় দিয়ে বলব, সুন্দর কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান , প্রবাস জীবন হলো সম্পূর্ণ পরিকল্পিত জীবন। নিচের লিংক দুটো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন এবং সংগ্রহে রাখতে পারেন । যেকোনো সহযোগিতার জন্য আমরা তো আছিই .. ভাইয়ের কাজে ভাই আসবে, আর এইভাবেই জাতি হিসাবে আমরা হতে পারি আরো বেশি শক্তিশালী । ফিনল্যাণ্ড এ আসার ক্ষেত্রে যেকোনো তথ্য ও সহযোগিতা পেতে join করতে পারেন এই ফেইসবুক গ্রুপে
Bangladeshi Incoming Students Finland
Language Proficiency: Click This Link
Calculating Residential timing: Click This Link

Source:amiopari.com  link

গর্ভধারণের পূর্বে জেনে নিন

অবশেষে দুজনের সংসারে নতুন মুখ জড়াতে চাচ্ছেন!
স্বামী-স্ত্রীর মিলনই বাবা-মা হওয়ার একমাত্র ধাপ নয় (আপনার স্বামী যাই চিন্তা করুক না কেন), বাবা-মা হতে আরও প্রস্তুতি প্রয়োজন। গর্ভধারণের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে এই পরিচ্ছেদটি ভালভাবে পড়ুন। গর্ভবতী হতে কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন তা জানুন, আপনার মাসিকের দিনগুলি গণনা করুন, গর্ভধারণের উপযুক্ত সময় দেখুন এবং ডিম্বস্ফোটনের সময়টা বের করে নিন মায়ার ওভুলেশান ক্যালকুলেটর দিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম্বস্ফোটনের সময় গণনা দ্রুত গর্ভধারণের লক্ষ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায় এমন সময় ধরে সুচিন্তিতভাবে মিলিত হোন।
যা আপনি খান – কি খাবেন আর কি এড়িয়ে চলবেন তা দেখে নিন। গর্ভধারণের চিহ্নগুলি জেনে নিন। ব্যায়াম করুন এবং সুস্থ থাকুন, ব্যায়াম করলে আপনি সহজেই আপনার পরিবর্তিত স্বাস্থ্য এবং ওজনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন। এতে করে প্রসবে অসুবিধা কম হবে। আর সন্তান জন্মের পর দ্রুত পূর্বাবস্থায় ফিরে আসা সহজ হবে। যতদিন সুস্থ বোধ করছেন ততদিন প্রতিদিনের কাজকর্ম আর ব্যায়াম বজায় রাখুন (খেলাধুলা, দৌড়ানো, যোগ ব্যায়াম, নাচ, রাস্তায় বেড়িয়ে হাঁটা)।

মা হতে চান? চিন্তা করছেন বয়স নিয়ে? দেখুন মাতৃত্বের সঠিক বয়স
link 

জেনে নিন আপনার পেনড্রাইভটি আসল না নকল

আজকের পোস্টে আমরা দেখবো যে একটি পেন ড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড আসল নাকি নকল তা কিভাবে বোঝা যায়।
অনেক সময় আমরা সস্তায় অনেক বেশী ডাটা ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পেন ড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড কিনে থাকি। আসলে বিক্রেতারা চাটুকারিতার সাথে আমাদের বেশী ধারণ ক্ষমতার কথা বলে এসব ডাটা সংরক্ষণের ডিভাইস বিক্রি করে থাকে। সত্যি কথা বলতে এগুলো এক ধরনের লোক ঠকানো কাজ।
এ ধরনের লোক ঠকানো কাজ আজকাল প্রায়ই হয়ে থাকে। বিশেষ করে মোবাইল মেমোরি কার্ডের ক্ষেত্রে। এই সমস্যা থেকে কিভাবে রেহাই সম্ভব তাই আমরা আজকে দেখবো।
কিভাবে বুঝবো যে পেনড্রাইভের যে কেনা পেনড্রাইভ/ মেমোরি কার্ডটি আসল তা জানতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।

প্রথমে এই লিঙ্কে চাপ দিয়ে h2testtw.exe ফাইলটি নামিয়ে নিন।
ফাইলটি ইন্সটল করে নিন।
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডটি ফরম্যাট করে নিন।
এবার h2testtw.exe রান করে Select Target এ ক্লিক করে পেনড্রাইভ/ মেমোরি কার্ডটি চিনিয়ে দিন।
এবার Write + Verify এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবার জন্য।
প্রক্রিয়া শেষ হবার পর আপনাকে একটি তথ্য দেয়া হবে “Complete without any error”, তার মানে পেনড্রাইভে কোন সমস্যা নেই। আর যদি দেখায় “Finds Errors” তখন বুঝতে হবে পেনড্রাইভে সমস্যা রয়েছে। এবং তা মেমোরি সংক্রান্ত নাকি অন্য কোন সমস্যা তাও দেখতে পারবেন।
123
এই ছিল সহজ উপায়ে আসল-নকল স্টোরেজ সমৃদ্ধ পেনড্রাইভ/ মেমোরি কার্ড চেনার উপায়। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে। সকল কে ধন্যবাদ।

 

2D ছবিকে রুপান্তর করুন 3D ছবিতে এবং কিভাবে 3D চশমা বানাবেন

অনেকে হয়তো 3D মুভি দেখেছেন। 3 Dimension এ মুভি দেখার স্বাদই আলাধা। যার কারনে পরিচালকেরা কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করে 3D মুভি।  তো এমন মুভি দেখার পর কি একবারও মনে স্বাধ জাগে নাই নিজের ছবিকে 3D ছবিতে দেখতে? হ্যাঁ এটার স্বাদ জাগতেই পারে। আর এই টুইটের মাধ্যমে আপনার সেই স্বপ্ন বাস্তবে রুপান্তর করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার ছবিকে 3D তে রুপান্তর করতে পারবেন।

আর হ্যাঁ 3D ছবির স্বাদ পেতে হলে অবশ্যই 3D চশমা লাগবে। 3D চশমা কিভাবে তৈরি করবেন তা শেষে বলছি। তার আগে 3D ছবি তৈরির কথা বলি। অনেকে হয়তো ভাবছেন কেমন হয় 3D ছবি। তাই না? তাহলে আগে কিছু 3D ছবি দেখুন।
একদম বাস্তব মনে হয় তাই না?

কি বানাবেন নাকি এইরকম নিজের 3D ছবি?

3D ছবি বানানোর জন্য চমৎকার একটা সফটওয়্যার হলো Roxio 3D Photo Creator। এটা দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় 3D ফটো। আর হ্যাঁ সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার আগে এন্টিভাইরাস অফ করে রাখবেন। নাহলে সমস্যা করতে পারে।
বিস্তারিত জানুন এখানে।

3D ছবি বানানোর পদ্ধতিঃ

2D ছবি অর্থাৎ সাধারন ফটো থেকে 3D ছবি বানাতে চাইলে নিচের মতো ক্লিক করে ছবি সিলেক্ট করে দিন।
অথবা বাম এবং ডান চোখ বরাবর থেকে তোলা দুটি ছবি থেকেও 3D ছবি বানাতে পারবেন। এটাই বেশি ভাল হয়। আপনার দৃশ্যের একটি ছবি গ্রহণ করুন, এবং তারপর ক্যামেরা ডানে দুই থেকে তিন ইঞ্চি সরিয়ে একই দৃশ্যের অন্য একটি ছবি গ্রহণ করুন।নিচের ছবি দুটো দেখুন -
roxio creator 2011 550 চোখের পলকে আপনার 2D ফটোকে রুপান্তর করুন 3D ছবিতে+জেনে নিন 3D চশমা বানানোর পদ্ধতি!  | Techtunes
তারপর NEXT এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাংখিত 3D ছবি। Adjust এর আইকনে ক্লিক করে ছবির adjustment ঠিক করে নিন।
তারপর সেভ করে নিন আর উপভোগ করুন আপনার 3D ছবি!
আরও বিস্তারিত দেখুন এই ভিডিওতে

3D চশমা বানাবেন যেভাবেঃ

3D চশমা তৈরি করার জন্য আপনার কিছু উপকরন যোগাড় করতে হবে। ঘাবড়ানোর কোন কারন নেই।  বাজারে গিয়ে বিয়ের জিনিসপত্র বিক্রি করে এমন দোকানে গিয়ে লাল ও নীল (Red & Cyan) রঙ এর দুটি সেলোপিন পেপার কিনবেন। কাটাবন মসজিদের উপর পাশের দোকানগুলোতে পাবেন। এরপর নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে কাগজের একটি ফ্রেম তৈরী করে নিন। চশমাটা বাম দিকে দিবেন লাল আর ডানদিকে নীল পেপার।
ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন।
আপনার টা দেখতে কেমন অদ্ভুদ হয়েছে তা কিন্তু জানাতে ভুলবেন না :)

Roxio 3D Photo Creator ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Roxio 3D Photo Creator। সাইজ ৬৪ মেগাবাইট।
আর সিরিয়াল কী পাবেন এখানে
আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। link

রুট এবং কাস্টম রম সম্পর্কিত সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ইউজ করি তাদের কাছে কাস্টম রম একটি অতি পরিচিত শব্দ। সময়ের সাথে সাথে স্টক রমের পরিবর্তে কাস্টম রমের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়ে গেছে। এর কারণ একটাই। আর সেই কারণ হল কাস্টম রমের আকর্ষণীয় সব ফিচার এবং কাস্টমাইজেশন অপশন, যার মজা স্টক রমে নেয়া সম্ভব নয়। তাই অ্যান্ড্রয়েদ ডিভাইস কেনার পর আমরা ডিভাইসের জন্য কাস্টম রমের কথা ভাবি । কিন্তু অ্যাডভান্সড ইউজার ছাড়া কাস্টম রমের সাথে জড়িত অনেক কিছু সম্পর্কে আমাদের অনেকের তেমন ধারণা নেই। তাই কাস্টম রম সম্পর্কিত সকল তথ্য নিয়ে আমার আজকের পোস্ট…
Root কি?
রুট বা রুটিং মানে একটি এন্ড্রয়েড ডিভাইসের রুট-লেভেল অ্যাক্সেস পাওয়া। রুট/Root শব্দটা এসেছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে। লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে যাদের রুট প্রিভিলেজ বা সুপারইউজার পারমিশন আছে তাদেরকে রুট ইউজার বলা হয়। এন্ড্রয়েড তৈরি হয়েছে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম থেকে। এন্ড্রয়েড ডিভাইসে রুট পারমিশন মানে সিস্টেম ফাইল এডিট করার পারমিশন আদায় করা।
রুট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য এই পোস্ট টি দেখতে পারেনঃ

Custom Rom কি? 
সহজ কথায় কাস্টম রম মানে হল আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন অথবা ট্যাবলেট এর জন্য একটি বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোতে ম্যানুফ্যাকচারার কর্তৃক বিভিন্ন ফার্মওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম দেয়া থাকে, যেমন স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে Touchwiz এবং HTC ডিভাইস গুলোতে Sense. কাস্টম রমে আপনি স্টক অপারেটিং সিস্টেম এর তুলনায় অনেক বেশি কাস্টমাইজেশন সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ কাস্টম রমের মাধ্যমে স্টক রমের তুলনায় আপনি আপনার ডিভাইসকে খানিকটা বেশি নিয়ন্ত্রণ করার সুজগ পাবেন। এছাড়া কাস্টম রম আপনার ডিভাইসে অ্যান্ড্রয়েডের সবচেয়ে আপডেটেড ভার্সন ইন্সটল করার একটি সহজ পথ।

Nightly build কি?
একটি কাস্টম রম সম্পূর্ণ স্ট্যাবল ( যে রমে কোন এরর বা বাগ নেই ) হয়ে রিলিজ পাওয়ার আগে অটোমেটিক ভাবে এর অনেকগুলো ভার্সন তৈরি করা হয় যে ভার্সন গুলোতে বিভিন্ন এরর এবং বাগ ঠিক করা হয়। আপনি যদি কাস্টম রমের মাধ্যমে নতুন নতুন ফিচার এবং মোড উপভগ করতে চান তাহলে আপনার ডিভাইসের জন্য কম্প্যাটিবল রমের নাইটলি ভার্সন গুলো ফ্ল্যাশ করতে পারেন। তবে রেগুলার ইউজ এর জন্য এই নাইটলি রম ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এতে অনেক বাগ থাকে যার কারণে সময়ে অসময়ে আপনি ডিভাইসে যে কোন ধরনের ছোটখাট সমস্যায় পড়তে পারেন। এইসব সমস্যা এড়ানোর জন্য স্ট্যাবল রম ফ্ল্যাশ করাই ভাল।
gapps-slider-980x360
Gapps কি?
গুগল অ্যাপস গুলোকে একসাথে সংক্ষেপে Gapps বলা হয়। বিভিন্ন গুগল অ্যাপস যেমন Play Store, Gmail,Google map, Hangout,Google+ ইত্যাদি Gapps এর অন্তর্ভুক্ত। অনেক কাস্টম রমে Gapps দেয়া থাকে আবার অনেক কাস্টম রমে Gapps রম ফ্ল্যাশ করার সময় আলাদা ভাবে ফ্ল্যাশ করতে হয়।

Recovery কি ?
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি বুট হওয়ার আগে কয়েকটি নির্দিষ্ট কী এর কম্বিনেশন ব্যবহার করে আপনি রিকভারি মোডে যেতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের কাস্টম রিকভারি রয়েছে। সবচেয়ে পপুলার এবং প্রয়োজনীয় দুটি কাস্টম রিকাভারির নাম হল CWM বা ClockworkMOd Recovery এবং TWRP বা TeamWIn Recovery project.  স্মার্টফোনের রিকভারিতে কাস্টম রম জিপ ফ্ল্যাশ, ফ্যাক্টরি রিসেট, Cache partition এবং Dalvik Cache ক্লিয়ার এবং ব্যাকআপ এবং রি-স্টোর অপশন থাকে।
Bootloader কি?
বুটলোডার হল স্মার্টফোনের ইন্টারনাল মেমোরির একটি আলাদা পার্টিশন। সকল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে বুটলোডার দেয়া থাকে যা অপারেটিং সিস্টেম কার্নেল কে সঠিকভাবে বুট হওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোতে বুটলোডার লক করা থাকে যাতে কাস্টম রম অথবা কার্নেল ফ্ল্যাশ করার কারণে ডিভাইসের কোন ক্ষতি না হয়। যেমন Motorola তাদের কিছু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোতে “eFuse” নামে একটি কমান্ড ব্যবহার করেছে যা আপনার ডিভাইসটিকে পার্মানেন্টলি ব্রিক করে দিতে পারে যদি আপনি কোন কাস্টম রম ফ্ল্যাশ করার চেষ্টা করেন।  তাই কাস্টম রম ফ্ল্যাশ করার আগে অবশ্যই বুটলোডার আনলক করে নিতে হবে।

Nandroid backup কি?
Nandroid backup হল আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সম্পূর্ণ সিস্টেমের ব্যাকআপ। আপনি যদি কোন ভাবে আপনার ডিভাইসটি সফট ব্রিক করে ফেলেন তাহলে আপনি Nandroid Backup রি-স্টোর করার মাধ্যমে আপনার ডিভাইসটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।
Dalvik cache কি?
Dalvik cache/cache হল বাফার মেমোরি যেখানে আপনার ডিভাইসে সর্বাধিক ব্যবহৃত ফাইল গুলো জমা থাকে, যাতে পরবর্তী সময়ে ব্যাবহারের জন্য দ্রুত ফাইল গুলো পুনরুদ্ধার করা যায়।
Fastboot কি?
ফাস্টবুট হচ্ছে একটি স্পেশাল টুল যা সাধারণত ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে ফাস্টবুট মোডে পিসিতে কানেক্ট করে আপনি এর সাহায্যে আপনার স্মার্টফোনে বিভিন্ন সিস্টেম ইমেজ এবং ফাইল বুট করতে পারবেন। এছাড়া ফাস্টবুটের মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসে কোন নির্দিষ্ট পার্টিশন ডিলিট করার জন্য বা ডিভাইসকে বুটলোডারে যাওয়ার জন্য কমান্ড পাঠাতে পারবেন।
ADB কি?
ADB শব্দটি আমরা অনেকেই শুনেছি। ADB ের পূর্ণ রুপ হল Android Debug Bridge. ফাস্টবুটের মত  ADB হল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যার সাহায্যে আপনি আপনার পিসি ব্যাবহার করে আপনার ডিভাইসে বিভিন্ন কমান্ড পাঠাতে পারবেন। এছাড়া ADB এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্টফোন থেকে পিসিতে অথবা আপনার পিসি থেকে স্মার্টফোনে ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।
Kernel / custom kernel কি?
সহজ ভাষায় কার্নেল হল আপনার ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যবর্তী সমন্বয়কারী লিংক। আপনি যখন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি দিয়ে কোন কিছু করতে চান তখন কার্নেল আপনার কাজটি সম্পাদনের জন্য সফটওয়্যারের নির্দেশ কে হার্ডওয়্যারে পাঠায় এবং আপনার কাংখিত কাজটি সম্পাদন করে। এখন ধরে নিন আপনি আপনার ডিভাইসে স্লাইডারের সাহায্যে স্ক্রীনের ব্রাইটনেস কমানোর চেষ্টা করছেন, কার্নেল সফটওয়্যারের এই পরিবর্তন বা নির্দেশটিকে হার্ডওয়্যারে পাঠায় যার ফলে আপনার স্ক্রীনের ব্রাইটনেস কমে যায়। আর কাস্টম কার্নেলে অনেক অতিরিক্ত ফাংশন অ্যাড করা থাকে যার সাহায্যে ডিভাইসের সিপিউ ক্লক রেট এবং ব্যাটারি ইউসেজ পরিবর্তন করা যায়।
link 

তেজপাতার যতগুণ

সুগন্ধি মসলা তেজপাতা । আমিষ জাতীয় খাদ্য বিশেষ করে মাংস রান্নার অপরিহার্য উপাদান এটি। কিন্তু খাবারে অতিরিক্ত তেজপাতার ব্যবহার স্বাদ নষ্ট করে দিতে পারে। এছাড়া সাধারনত খাবার রান্নার শেষ পর্যায়ে তেজপাতা দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে খাবার থেকে তুলে ফেলা হয়। অথচ সুগন্ধ বাড়ানোর ছাড়াও এই খাদ্য উপাদানটির যে আরো অনেক গুণ রয়েছে, সেটি আমরা কয়জনেই বা জানি।
কাঁচা তেজপাতার রং সবুজ আর শুকনো তেজপাতার রংবাদামি। এটি শুধু মসলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এর অনেক ঔষধি গুণও আছে।
♦ উপকারিতা
১.পানিতে কয়েকটি তেজপাতা দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপরে সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। যাদের ত্বকে অ্যালার্জি সমস্যা রয়েছে তারা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।
২. ৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সেদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। গলাভাঙা দ্রুত ঠিক হবে।
৩. প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গে তেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।
৪. চোখ ওঠা ও ফোঁড়া হলে তেজপাতা  সেদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ফোঁড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপ লাগালে ব্যথা কমবে।
৫. তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।
৬. তেজপাতার গুঁড়া গোলাপজলে মিশিয়ে মুখে লাগালেও উপকার পাবেন।
৭. সাবানের পরিবর্তে তেজপাতা বাটা শরীরে মাখলেও ময়লাপরিষ্কার হবে।
৮. টুথপেস্টের কাজও করবে তেজপাতা চূর্ণ। এটি ব্যবহারে মাড়ির ক্ষত দ্রুত চলে যায়।
- Source: http://www.dhakatimes24.com

পেটের মেদ কমাবেন কিভাবে

পেটের মেদ একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। কিন্তু কিভাবে এই পেটের মেদ কমাবেন তা বুঝে পাচ্ছেন না। আজ স্বাস্থ্য ট্রিপসে আমরা পেটের মেদ কমানো যায় কিভাবে সে বিষয়ে আলোচনা করবো।
অকারণেই যেনো আমাদের পেটের মেদ বাড়তে থাকে। আর বাড়তে বাড়তে এমন অবস্থা হয়েছে যে তা বাইরে থেকেই বোঝা যায়। এই মেদের কারণে চলাফেরা-ওঠা বসা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে। অনেকেই বলেন, নিয়মিত হাটলে মেদ কমে যায়। কিন্তু বাস্তবে অনেকেই প্রতিদিন নিয়ম করে হাটছেন কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। আসলে শুধু হাটা নয় আরও কিছু নিয়ম রয়েছে সেগুলো মেনে চললে মেদ কমানো যাবে। সে বিষয়ে আসুন আমরা যেনে নেই।

ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম

অনেকেই মনে করে জিম করা বা কষ্টকর ব্যায়ামই দিতে পারে পেটের মেদ থেকে মুক্তি। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। কারণ ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম আপনি যদি নিয়মিত করতে পারেন তাহলে সেটিই আপনার জন্য যথেষ্ট। যেমন বার-পিস, সিঙ্গেল লেগ স্কোয়াট, ফ্লোর ক্রাঞ্চেস্‌, পুশ-আপস্‌, চেয়ার ডিপস্‌ ৩০ সেকেন্ড করে দিনে ৪-৫ বার করে দেখুন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ হাটতে পারেন।

নিয়মিত ঘুম পাড়া

যদি রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকে তাহলে আরেকবার ভাবুন। কারণ অসময়ের ঘুম আপনার শরীরের জৈবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। পেটে চর্বি জমার প্রবণতা প্রায় ৫ গুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও শরীরে হরমোনের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যায়। মেদ জমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই মেডিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় রাতের ৭ ঘন্টা ঘুমই কেবল শরীরকে সুস্থ্য রাখতে পারে।

চিনি থেকে সাবধান

আপনার পেটের মেদ কমাতে ৮০ ভাগ ভূমিকা রয়েছে সঠিক খাদ্যের। সঠিক খাদ্য বলতে বোঝানো হয় যেগুলো ক্যালরি কমাতে সাহায্য করে যেমন প্রোটিন বা আমিষ, শাক-সব্জি, শস্যদানা ইত্যাদি। খাদ্য তালিকা থেকে যথাসম্ভব চিনি দূরে রাখুন। চিনির বদলে সুক্রোলোজ (যা চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়) ব্যবহার করুন। প্রতিবার চায়ের কাপে চিনির বদলে মধু ব্যবহার করুন। এতে চিনির বিকল্পও হবে, পাশাপাশি পেটের মেদও আর বাড়তে পারবে না বরং কমবে।

আস্তে আস্তে শ্বাস-প্রশ্বাস

পরিশ্রম ছাড়া আমরা যেই কাজটি করতে পারি তা হলো সঠিক নিয়মে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া। বেশির ভাগ মানুষই হয় দ্রুত না হয় অনেকক্ষণ পর পর শ্বাস গ্রহণ করে। যদি এটি একটা ছন্দে করা যায়, অর্থাৎ আস্তে আস্তে শ্বাস গ্রহণ ও নি:শ্বাস ত্যাগ করা যায় তাহলে পেটের খুব ভালো একটা ব্যায়াম হবে। প্রতিনিয়ত যদি এটি মেনে চলা যায় তাহলে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে পেটের মেদ কমাতে।

চর্বি খাবেন কি ধরনের

বর্তমান সময়ে ওমেগা-৩ ফ্যাট নিয়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। হবেই না কেন? যদিও এটি নিজেই একটি ফ্যাট, কিন্তু ক্ষতিকারক ফ্যাট দূর করতে এর কোন জুড়ি নেই। শাক-সব্জি, মাশরুম, শস্যদানা, মাছ ইত্যাদি আপনাকে দিতে পারে যথেষ্ট পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাট। অন্তত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাই বলেন।

ভিটামিন সি

আমরা কমবেশি সবাই জানি ভিটামিন সি সম্পর্কে। টক জাতীয় ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। এই উপাদানটি আমাদের শরীরে সেই হরমোনটির ব্যালেন্স ঠিক রাখে যেটি শরীরে মেদ নিয়ন্ত্রন করে। ভিটামিন সি কারনিটিন নামক প্রয়োজনীয় একটি উপাদান তৈরী করে- যা শরীরে চর্বি নষ্ট করতে সাহায্য করে থাকে।

শেষ কথা

উপরোক্ত বিষয়গুলোর দিকে দৃষ্টি দিলে বা সঠিক ভাবে মেনে চললে যাদের পেটে মেদ জমেছে এবং যাদের এখনও মেদ জমেনি তাদের জন্য অনেক কাজ দেবে। কথায় বলে, ‘দাঁত থাকতে যদি দাঁতের মর্ম’ না বোঝেন তাহলে পরে শুধুই পস্তাতে হবে। তাই উপরোক্ত নিয়ম মেনে চলুন সুস্থ্য-সুন্দর জীবন-যাপন করুন। মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
Source: http://dhakatimes.com.bd
Originally posted 2013-09-25 14:41:00

সপ্তাহে ৭ থেকে ১০ পাউন্ড ওজন কমান

ওজন কমানোর এক জাদুকরি ফর্মুলাঃ সপ্তাহে ৭ থেকে ১০ পাউন্ড ওজন কমান

স্থুলতা বর্তমানে বিরাট এক সমস্যা।অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগ, ডায়াবেটিকসহ মারাত্ত্বক সব রোগের কারন।
নিম্নের খাদ্য পদ্ধতি ওজন কমানোয় প্রমাণিত।

প্রথমতঃ সম্পূর্নরুপে এলকোহল জাতীয় পাণীয় বর্জন করুন। অব্শ্যই দৈনিক ৩-৭লিটার পানি পান করতে হবে। লেবু পানি, সোডা পানি, কফি, চা ইত্যাদি পানীয় পান করতে পারবেন তবে ক্রমি, ক্রীম জাতীয় খাবার ও চিনি বর্জন করতে হবে।
১ম দিনঃ
কলা ব্যতিত যত ইচ্ছা ফল খান অন্য কোন খাবার গ্রহন করবেন না, শুধু ফল খাবেন।

২য় দিনঃ
পছন্দ অনুযায়ি শাক-শবজি কাচা বা রান্না করে খেতে পারেন। । রান্না অবশ্যই মসলা ব্যতিত হতে হবে। পছন্দের শাক-সবজি সিদ্ধ করে পানি ফেলে অল্প তেলে ভেজে নিন লবণ সহ।

৩য় দিনঃ
এই দিনে কলা ব্যতিত ফল-মুল, শাক-সবজি ইচ্ছা মতন খাবেন।

৪র্থ দিনঃ
এই দিনে আপনি ৮টি মাঝারি আকারের কলা ও তিন গ্লাস(২০০মিলি) দুধ খাবেন। অন্য কিছু খাওয়া যাবে না।

৫ম দিনঃ
অল্প পরিমান চর্বিহীন মাংশ ও ৬টি টমটে খান।

৬ষ্ঠ দিনঃ
এই দিন ইচ্ছামত চর্বিহীন মাংশ ও শাক সবজি খাবেন।

৭মদিনঃ
এই দিন বাদামি চাউল, ফলের রস এবং সকল প্রকার শাক-সবজি ইচ্ছামতন গ্রহন করুন।

সাবধনতাঃ
৭ম দিনের আগে ফলের রস খাবেন না। মাসে একবারের বেশি এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করবেন না।
সবাই সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন।

Source: Somewhereinblog
Originally posted 2013-10-08 18:59:22

কিভাবে সকল ধরনের নকিয়া ফোন নিজে নিজে ফ্লাশ দিতে হয়

জেনে নিন কিভাবে সকল ধরনের নকিয়া ফোন নিজে নিজে ফ্লাশ দিতে হয়ঃ
1. Press *#7780# ... or,
2. Press *#7370# ...

3.
 আপনার ফোনের স্টার (*) key, '3' নম্বর key, সবুজ (কল) বাটন
এবং
 Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন যতক্ষণ না ডিসপ্লে তে Nokia


লেখা ও আলো দেখা যায়...
4. Nokia 5800
 এর জন্যঃ সবুজ (কল) বাটন, লাল
(
রিজেক্ট) বাটন, Multimedia বাটন  Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন...
5. Nokia N97
 এর জন্যঃ Shift +Space+Delete এবং Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন...
6.
 অন্যান্য Nokia S60v5 ফোনের জন্যঃ সবুজ (কল) বাটন, লাল (রিজেক্ট) বাটন,
Camera
 বাটন এবং Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন.. এরপর ফোন অন হলে দেখবেন আপনার ফোনপুরো New হয়ে গেছে!!


link 

Niche Blogging কি? কেনো? কিভাবে? জেনে নিন

Niche Blogging হচ্ছে সুনির্দিষ্ট কোন বিষয়বস্তু নিয়ে ব্লগিং করা। SEO-তে সফলতা পাওয়ার জন্য নিস ব্লগিং খুবই সহায়ক একটি পন্থা। বর্তমানে অনেক ব্লগার নিস ব্লগিংকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সে অনুযায়ী কাজ করছে। নিস ব্লগিংযের মাধ্যমে কোন ব্লগকে গুগলের প্রথম পেজে আনা তুলনামূলকভাবে কিছুটা সহজ। যাহোক বন্ধুগণ আজ  আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।
মনে করুন, আপনার একটি ব্লগ রয়েছে Samsung Smartphone এর উপর। সেক্ষেত্রে আপনার কীওয়ার্ডগুলি হবেSamsung Smartphone
Samsung Galaxy S ii smartphone
Samsung Galaxy S III
Samsung S5830 Galaxy Ace smartphone
এখানে লক্ষ্য করুন Samsung ‍Smartphone কথাটি ঘুরে ফিরে বারবার ব্যবহৃত হয়েছে। মূলত আপনার নিস কীওয়ার্ড হচ্ছে Samsung ‍Smartphone. প্রত্যেক ব্লগারেরই লক্ষ্য তার ব্লগকে Google এর ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসা। এজন্য আপনাকে আপনার নিস কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে SEO করতে হবে। যেহেতু আপনার ব্লগটি একটি নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে তৈরীকৃত সুতরাং গুগলে এ প্রোডাক্টের কোন সার্চ দিলে আপনার ব্লগটির ফার্স্ট পেজে আসার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে।
তবে Niche Keyword হিসাবে এমন একটি Keyword বাছাই করতে হবে যেটির জন্য সাধারণত কেউ SEO করে না। আরেকটি বিষয় খেয়াল করুন। Smartphones>Android Smartphones>Samsung Smartphones. এখানে Smartphone হচ্ছে মার্কেট। সাম্প্রতিক সময়ের Smartphone হতে পারে Android Operating System আবার Windows অপারেটিং সিস্টেম চালিত। এ দুটি টপিকস খেকে যদি আপনি একটি টপিক বাছাই করেন তাহলে অন্য সব অপারেটিং সিস্টেম ছেড়ে আপনি একটি নির্দিষ্ট অপারেটিং সিস্টেম এ গেলেন। ফলে আপনার কম্পিটিটর কমে গেল। এরপর Android অপারেটিং সিস্টেমচালিত অনেক ধরনের SmartPhone রয়েছে। সেগুলির মধ্য থেকে আপনি নির্দিষ্ট করে Samsung Smartphone বেছে নিলেন। সুতরাং এক্ষেত্রেও অনান্য Smartphone থেকে আপনার কম্পিটিটর কমে গেল এবং টপিকটি আরো ছোট হয়ে এল। এটাই মূলত Niche Blogging.

কিভাবে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা

বাংলাদেশের বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় দু’শ বছরের বৃটিশ শাসনের কাছে বহুলাংশে ঋণী, যদিও এর কিছু কিছু উপাদান প্রাক-বৃটিশ আমলের হিন্দু এবং মুসলিম শাসন ব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। এটি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে একটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিকাশ লাভ করে। এ বিকাশের প্রক্রিয়াটি আংশিক স্বদেশী ও আংশিক বিদেশী এবং গঠন প্রণালী, আইনগত ধারণা ও নীতিমালার ক্ষেত্রে ইন্দো-মোঘল এবং বৃটিশ উভয় ব্যবস্থার সমন্বয়ে উদ্ভূত একটি মিশ্র আইনী ব্যবস্থা। ভারতীয় উপমহাদেশের বৃটিশ আমলের পূর্ববর্তী পাঁচশত বছরেরও বেশী মুসলিম ও হিন্দু শাসনের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। প্রত্যেকটি শাসনামলের নিজস্ব স্বতন্ত্র আইন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।
images1
প্রায় পনের’শ বছর আগে এবং খ্রীষ্টীয় যুগ আরম্ভ হওয়ার পরে হিন্দু আমলের বিস্তৃতি ঘটে। সে সময় প্রাচীন ভারতবর্ষ কতিপয় স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল এবং রাজা ছিলেন প্রত্যেকটি রাজ্যের সর্বময় কর্তা। বিচার ব্যবস্থা তথা ন্যায় বিচার প্রসঙ্গে রাজা ন্যায় বিচারের উৎস হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাঁর রাজত্বে বিচার প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতেন।
১১০০ খ্রীষ্টাব্দে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসকদের আক্রমণ ও বিজয়ের ফলে মুসলমান আমলের শুরু হয়। একাদশ শতাব্দীর শুরুতে এবং দ্বাদশ শতাব্দীর ক্রান্তিলগ্নে মুসলমান শাসকদের আক্রমণের মুখে হিন্দু রাজত্ব পর্যায়ক্রমে খন্ড বিখন্ড হতে শুরু করে। যখন মুসলমানরা সকল রাজ্য জয় করে, তখন তারা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কোরআনের উপর ভিত্তি করে তৈরি মতবাদও তাদের সঙ্গে করে এনেছিল। পবিত্র কোরআন অনুসারে সার্বভৌমত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহর হাতে ন্যস্ত এবং রাজা হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছা ও আদেশ পালনকারী এক অনুগত দাস। শাসক ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর পছন্দনীয় প্রতিনিধি এবং জিম্মাদার।
ইংরেজ আমলে বৃটিশ রাজকীয় সনদপ্রাপ্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কিছু কর্মকর্তা ভারতের প্রাচীন আইন ও বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভার গ্রহণ করে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী পর্যায়ক্রমে বোম্বে, মাদ্রাজ এবং কলকাতার দখল গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে, যা পরবর্তী সময়ে ‘প্রেসিডেন্সি টাউন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কোম্পানী বিচার প্রশাসনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিল। রাজা প্রথম জর্জ কর্তৃক ইস্যুকৃত ১৭২৬ সালের সনদ ভারতে ইংরেজ আইন ও বিচার ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বাণিজ্যের জন্য অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে এ সনদের ত্রুটিসমূহ দূর করার লক্ষ্যে রাজা দ্বিতীয় জর্জ ১৭৫৩ সালে নতুন সনদ ইস্যু করেন। এ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য হাউজ অব কমনস- এর গোপনীয় কমিটি হস্তক্ষেপ করে এবং রেগুলেশন এ্যাক্ট, ১৭৭৩ পাশ করে, যার অধীন রাজা কলকাতায় বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীমকোর্ট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৭৭৪ সালে একটি পৃথক সনদ ইস্যু করে। পরবর্তী সময়ে ১৮০১ সালে মাদ্রাজে এবং ১৮২৪ সালে বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বাই) সুপ্রীমকোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়।
ভারতে ১৮৫৩ সালে প্রথম আইন কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং একটি সর্ব ভারতীয় আইন সভা সৃষ্টি করা হয় যার প্রণীত আইন সকল আদালতের উপর কার্যকর ছিল। এ সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বিলুপ্ত করা হয় এবং ১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলন তথা সিপাহী বিপ্লবের পর ১৮৫৮ সালেই ভারতের শাসনভার বৃটিশ রাজা কর্তৃক গ্রহণ করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধি আইন, ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন ইত্যাদি সেই সময় প্রণয়ন করা হয়েছিল এবং সাধারণ আইনী কাঠামোয় বৃটিশ আইন সভা ১৮৬১ সালে ভারতীয় হাই কোর্ট আইন প্রণয়ন করে যার মাধ্যমে তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে (কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজ) প্রতিষ্ঠিত বিদ্যমান সুপ্রীমকোর্ট প্রতিস্থাপন করে হাইকোর্ট স্থাপন করা হয়। হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠার পর দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের একটি নিয়মিত ক্রমঅধিকারতন্ত্র দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে । ভারতীয় উপ-মহাদেশের দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতে বিদ্যমান বর্তমান ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তি হচ্ছে এই দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট বৃটিশ আইন সভা ভারত ও পাকিস্তানকে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ এর বলে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করে । এ আইন অনুসারে, স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তানের জন্য নতুন সংবিধান রচিত না হওয়া পর্যন্ত এ দুই দেশের সরকার পরিচালিত হবে ভারত সরকার আইন, ১৯৩৫ এর মাধ্যমে। বিচার বিভাগের গঠন প্রণালী ১৯৪৭ সনের আগে যেরূপ ছিল প্রধানত তাই রয়ে গিয়েছে।
১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইন সরকারের গঠন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে দেয়। ফলে শাসন ব্যবস্থা একক বা কেন্দ্রীয় শাসন পদ্ধতি হতে ফেডারেল পদ্ধতিতে পরিবর্তিত হয়। এ আইনের বিধি অনুসারে ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নতুন সংবিধান রচিত না হওয়া পর্যন্ত ফেডারেল আদালত চালু রাখা হয়।
পাকিস্তান গণপরিষদ ‘প্রিভি কাউন্সিল (অধিক্ষেত্র বাতিল) আইন, ১৯৫০’ পাশ করে যা পাকিস্তানের ফেডারেল আদালত হতে প্রিভি কাউন্সিলে আপীল দায়েরের ব্যবস্থাকে বাতিল করেছিল। ১৯৫৬ সালে নতুন সংবিধান প্রবর্তনের মাধ্যমে এর আওতায় প্রদেশসমূহে হাই কোর্ট এবং কেন্দ্রে পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ফেডারেল আদালত পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে কাজ করেছে। পাকিস্তানের এ সংবিধান ১৯৫৮ সালে বাতিল করা হয়েছিল এবং ১৯৬২ সালে নতুন আরেকটি সংবিধান চালু করা হয়, কিন্তু সমগ্র বিচার কাঠামো একই রয়ে যায়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ একটি সংবিধান গ্রহণ করে যাতে আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রীম কোর্টের গঠন প্রণালী ও কার্যক্রম বর্ণনা করা হয়েছে।
এভাবে উন্নতি লাভ করেছে এদেশের বিচার ব্যবস্থা।
বিডিলনিউজঃ link

কিভাবে গ্রামীনফোনের সুপার FnF অ্যাক্টিভ/চেঞ্জ করা যায় সহজেই

প্রিয় পাঠক আপানারা সবাই কেমন আছেন।আসা করি আল্লাহর রহমতে সবাই আমার মত ভালো আছে্ন।আজকে আমি একটা গুরতপুনু বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করব ।সেটা হল ,কিভাবে গ্রামীনফোনের সুপার FnF অ্যাক্টিভ/চেঞ্জ করা যায় সহজেই।যদিও আমরা অনেকই জানি আবার অনেকই জানিনা বা ভুলে গিয়াসি,তাদের জন্নই আজকের এই পোস্ট। কেনও এই অফারটি আপনি অ্যাক্টিভ করবেন?কারন এই প্যাঁকেজ আপনি একটি নাম্বার এ মাত্র ৩০পয়সা পার মিনিট কথা বলতে পারবেন যেকোনো একটি সুপার FnF নাম্বের যেকোনো সময় আর বাকি ৯ টি FnF করেতে পারবেন এই প্যাঁকেজ এ। ত প্রিয় পাঠক চলুন দেখি কিভাবে গ্রামীনফোনের সুপার FnF অ্যাক্টিভ/চেঞ্জ করা যায়।

গ্রামীনফোনের সুপার FnF অ্যাক্টিভ/চেঞ্জ করার জন্য প্রথমে আপনাকে বন্ধ প্যাঁকেজ এ মাইগ্রেট করতে হবে আর করতে হবে এই ভাবে


Go to your cellphone message option > create new message>Type B> and send this message to 4444 number


For Example: B


Send to 4444

তারপর গ্রামীনফোনের সুপার FnF অ্যাক্টিভ করার জন্য

আপনাকে আরেক মাসেজ করতে হবে নিচের মত করে


Just go to your mobile message option->Create new message ->Type SF < Space> Your Special Super FnF Number->অ্যান্ড send to 2888


For Example: SF 017xxxxxxxx


তাহলেই আপনি এখন এই সুপার FnF নাম্বার এ ৫ পয়সা পার ১০ সেকন্ড মিন্স ৩০ পয়সা পার মিনিট কথা বলতে পারবেন ২৪ ঘণ্টা ।

কিভাবে গ্রামীনফোনের সুপার FnF নাম্বার চেঞ্জ করবেন ,একদম ইজি জাস্ট

just go to your mobilephone message option>Create new message>Type SFC<space>Your Old SUPER FnF number<space>Your NEW SUPER FnF number>Send this message to 2888.


For Example: SFC 017xxxxxxxx 01723xxxxxx send this 2888


ত প্রিয় পাঠক আজ এই পর্যন্তই আগামিতে আবা�%A://10.102.61.249:8002 @6� দেখা হবে অন্য কোন পোস্ট নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেনর ।আর এই পোস্ট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আপনাদের কাজে লাগলে আমার কষ্ট সার্থক হবে বলে আমি মনে করি।

link

জেনে নিন: ইউপি হতে কিভাবে সনদ পাবেন?

১। চেয়ারম্যান সনদ কিভাবে পাবেন?
# ইউনিয়ন পরিষদে রক্ষিত আবেদন ফরম পূরন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য/মহিলা ওয়ার্ড সদস্য দ্বারা সনাক্তকারীরসীলযুক্ত স্বাক্ষর থাকতে হবে।
# আবেদন ফরমের সাথে জন্মসনদ প্রদর্শন করতে হবে।
# উক্ত আবেদন ফরমটি ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রে ৩০/- টাকা ফি সহ জমা দিতে হবে।
#আবেদন ফরমটি জমা দেওয়ার ৪৮ঘন্টার পর চেয়ারম্যান সনদডেলিভারী পাবেন।


২। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদ কিভাবে পাবেন?
# ইউনিয়ন পরিষদে রক্ষিত অথবা ফটোকপির দোকানহতে আবেদন ফরম পূরন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য/মহিলা ওয়ার্ড সদস্য দ্বারা সনাক্তকারীরসীলযুক্ত স্বাক্ষর থাকতে হবে।
# আবেদন ফরম এর সাথে একটি অঙ্গিকার নামা ও আইডি কার্ডের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
# উক্ত আবেদন ফরমটি ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রে ৭০/- টাকা ফি সহ জমা দিতে হবে।
# আবেদন ফরমটি জমা দেওয়ার ৪৮ ঘন্টার পর অনলাইনকৃত জন্মসনদ ডেলিভারী পাবেন।
# বৈদ্যুতিক/নেটওয়ার্ক/সার্ভার সমস্যা কারণে সঠিক সময়ে জন্মনিবন্ধন সনদ ডেলিভারী প্রদান না করলে অত্র ইউনিয়ন পরিষদকে কোন রকম দায়ী করা যাবে না।


৩।ওয়ারিশ সনদপত্র কিভাবে পাবেন?
# ইউনিয়ন পরিষদে রক্ষিত আবেদন ফরম পূরন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য/মহিলা ওয়ার্ড সদস্য এবং পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ড সদস্য দ্বারা সনাক্তকারীর নামের সীলযুক্ত স্বাক্ষর থাকতে হবে।
# উক্ত পূরণকৃত আবেদন ফরমটি ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রে ২৩০/- টাকা ফি সহ জমা দিতে হবে।
# আবেদন ফরমটি জমা দেওয়ার ৪৮ ঘন্টার পর ওয়ারিশ সনদডেলিভারী পাবেন।
link 

ফ্যাক্টরীতে কিভাবে আইসক্রিম তৈরী হয়


জেনে নিন ফ্যাক্টরীতে কিভাবে আইসক্রিম তৈরী হয় এবং সেই সাথে সহজ উপায়ে ঘরে বিভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম ও গ্রীন টি আইসক্রিম তৈরীর কলাকৌশল

আইসক্রিম-দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে এমন একটা জিনিস, আর গরমে তো কথাই নেই। ছোট বেলায় আইসক্রিম আইসক্রিম ডাক শুনে আইসক্রিমওয়ালার কাছে যেতে মনটা আনচান করেনি এমন কেউ কি আছেন??  মনে হয় নাই । এতো গেলো ছোটবেলার কথা, এরপর স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় , এমনকি বৃদ্ধ বয়সেও নাতিনাতনিদেও সাথে আইসক্রিম খান অনেকেই। সেই আইসক্রিমটা কিভাবে তৈরী হয় সেটা জানতে চান ?

আইসক্রিম-দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে এমন একটা জিনিস, আর গরমে তো কথাই নেই। ছোট বেলায় আইসক্রিম আইসক্রিম ডাক শুনে আইসক্রিমওয়ালার কাছে যেতে মনটা আনচান করেনি এমন কেউ কি আছেন??  মনে হয় নাই । এতো গেলো ছোটবেলার কথা, এরপর স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় , এমনকি বৃদ্ধ বয়সেও নাতিনাতনিদেও সাথে আইসক্রিম খান অনেকেই। সেই আইসক্রিমটা কিভাবে তৈরী হয় সেটা জানতে চান ?


তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে আইসক্রিম তৈরী করা হয় ফ্যাক্টরীতে

প্রথমেই আমরা জেনে নেই আইসক্রিম তৈরীর কাঁচামালগুলো কি কি?

  • হাইড্রোজেনেড কোকোনাট অয়েল /পাম কারনাল অয়েলীন ।
  • মিল্ক পাউডার (ফুলক্রীম )
  • ইমালসিফায়ার এবং স্ট্যাটাবলাইজার
  • ফুড কালারিং
  • ফ্লেভারস : ভ্যানিলা , স্ট্রবেরী, অরেঞ্জ, কফি ইত্যাদি।
  • গ্লুকোজ
  • কুয়ার গাম
  • কোকোয়া পাউডার
  • আইসক্রিম ক্টিক



এবার চলুন জেনে নেই প্রস্তুত প্রণালী এর ধাপ গুলো

  • ব্লেনডিং অব দ্যা মিক্স ইনগ্রিডিয়েনডস
  • পাস্তুরাইজেশন
  • হোমোজেনাইজেশন
  • এইজিং দ্যা মিক্স
  • এডিং লিকুইড ফ্লেভার , কালার
  • ফ্রিজিং
  • হার্ডেনিং
  • কোয়ালিটি টেস্টটিং
  • প্যাকেজিং

ব্লেনডিং অব দ্যা মিক্স ইনগ্রিডিয়েনডস


প্রথমেই স্কিম মিল্ক / পাউডার মিল্ক , ইমালসিফায়ার , নন ফ্যাট, একএে ব্লেনডিং মেশিনেমেশানো হয় – – একে বলে ব্লেনডিং । অনেক সময় সলিড উপকরণগুলো কে লিকুইড উপকরণের সাথে মেশানো পূর্বে একবার ব্লেনড করে নেয়া হয় ।

পাস্তুরাইজেশন


পরবর্তীতে ব্লেনডিং এর মাধ্যমে প্রাপ্ত মিশ্রণ যাকে বলে আইসক্রিম মিক্স কে পাস্তুরীকরণ করা হয় । আইসক্রিমকে ১৫৫ μ ফারেনহাইড / ৬৮μসেলসিয়াস এ পাস্তুরীকরণ করা হয় এবং প্রায় ৩০ মিনিট পাস্তুরীকরণ করা হয় । ফ্যাক্ট্যরীতে দুই ধরনের পাস্তুরাইজার বেশি ব্যবহার করা হয় – ব্যাচ পাস্তুরাইজার এবং ভ্যাট পাস্তুরাইজার ।

হোমোজেনাইজেশন


পরবর্তী ধাপে আইসক্রিম মিক্সকে হোমোজেনাইজেশন করা হয় ( ২৫০০-৩০০০পিএসআই)। ,হোমোজেনাইজেশন হলো কেনো মিশ্রণের উপাদান কে সমরূপে মিশ্রিত করা , এর ফলে মিশ্রণ মসৃণ এবং ক্রীমি হয় , ইমালসিফায়ার ও এবং স্ট্যাটাবলাইজার আরো ভালভাবে মিশ্রিত হয় । হোমোজেনাইজেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার উপর আইসক্রীমের মান অনেকখানি নির্ভরশীল ।

এইজিং দ্যা মিক্স


পরবর্তীতে ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসে প্রায় ৪ ঘন্টা বা সারারাত হোমোজেনাইজড মিক্সড কে এইজিং করা হয় । এইজিং এর ফলে মিল্ক ফ্যাটগুলো ভেঙ্গে আংশিক দানাদার হয় ।
এডিং লিকুইড ফ্লেভার , কালার : এই পর্যায়ে লিকুইড ফ্লেভার এবং কালার যোগ করা হয় ।

ফ্রিজিং


এরপর মিশ্রণকে ফ্রিজারে রেখে দেয়া হয় , ভিতরের তাপমাএা – ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে রাখা হয় এবং ফ্রিজিং এজেন্ট হিসেবে তরল এমোনিয়া ব্যাবহার করা হয় । যদি সিঙ্গেল ব্যাচ ইলেক্ট্রফ্রিজার ব্যাবহার করা হয় তবে ১৫-২০ মিনিটেই ফ্রিজিং হয়ে যায় ।

হার্ডেনিং


এই ধাপে আইসক্রিম কণ্টেইনারে রাখা হয় । ফ্যাক্টরী মেশিনগুলো তা সরাসরি কার্টনে ভরে দেয় অথবা বিভিন্ন আকার প্রদান করা হয় । মেশিনগুলো থেকে  আইসক্রিম বের করে – ২০ডিগ্রী ফারেনহাইড ফ্রিজারে রাখা হয় যাতে শক্ত আকার ধারন করে ।

কোয়ালিটি টেস্টিং


এই ধাপে আইসক্রীমের মান যাচাই করা হয় ।

প্যাকেজিং

সবশেষে অটোমেটিক মেশিনে এ প্যাকেজ করে ফ্রিজে সংরক্ষন করা হয়। একেক ফ্যাক্টরীর তৈরী আইসক্রিম এর ফ্রিজিংপয়েন্ট একেক একেক রকম , তাই যে কোম্পানি আইসক্রিম তৈরি করে তারাই সেই আইসক্রিম এর জন্য রেফ্রিজারেটর দিয়ে থাকে ।

আইসক্রিম

এখন জেনে নেই সবচেয়ে সহজ উপায়ে কম উৃপকরণ দিয়ে কিভাবে ঘরে বসে আপনি নিজেই তৈরি করতে পারেন রকমারি স্বাদের আইসক্রিম


  • প্রথমে দেখতে হবে আপনি কোন ফ্লেভারের আইসক্রিম খেতে চান, আম, স্ট্রবেরী , চকোলেট ,কলা, নাকি আপেল ফ্লেভারের আইসক্রিম ।
  • ধরুন আপনি চান ম্যাংগো ফ্লেভারের আইসক্রিম খেতে চান , তাহলে আপনাকে প্রথমে ৪০০ গ্রাম ম্যাংগো স্লাইস নিতে হবে , পরিমান টা আপনি ইচ্ছে করলে কিছুটা পরিবর্তন করতে পারেন ।
  • ব্লেনডারে ম্যাংগো স্লাইস ,২ কাপ ফ্রেশ ক্রীম (লিকুইড),৩ কাপ মিল্ক (লিকুইড), , খুব সামান্য পরিমাণ ভ্যানিলা এসেন্স , ১/২ কাপ চিনি দিয়ে দিন । যদি আপনি চকোলেট ফ্লেভার চান তাহলে কোকোয়া পাউডার যোগ করে দিন । এবার সবগুলো উপকরণ একসাথে ব্লেনডারে ব্লেনড করে নিন ।
  • এবার ব্লেনডার থেকে একটি বাটিতে ব্লেনডেট মিশ্রণ ঢেলে নিন এবং তা ৪৫ মিনিট রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন ।
  • আইসক্রিম খাওয়ার ১০ -১৫ মিনিট আগে রেফ্্িরজারেটর থেকে বের করে পছন্দমত
  • সাজিয়ে পরিবেশন কক্ষে ফেলুন।

গ্রিন টি আইসক্রিম


উপকরণ

  • ২ টেবিল চামচ গ্রিন টি পাউডার
  • ২-৩ কাপ চিনি
  • ৩টি ডিমের কুসুম
  • ৩-৪ কাপ হেভি ক্রীম

প্রস্তুত প্রণালী

  • প্রথমে ১টি ছোট বাটি নেন, তাতে ২টেবিল চামচ গ্রিন টি পাউডার এবং ২টেবিল চামচ চিনি একসাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  • একটি প্যানে ৩-৪ কাপ তরল দুধ চুলায় গরম করতে থাকেন ।খেয়াল রাখবেন যেন প্যানে লেগে না যায়। অনবরত নাড়তে থাকুন।
  • অন্য ১টি বাটিতে ৩টি ডিমের কুসুম এবং ১/২ কাপ চিনি মিশিয়ে নিন।
  • কয়েক চামচ দুধ গ্রিন টি পাউডারে যোগ করে পেস্ট বানিয়ে নিন।পেস্টটা যখন মিহি হবে তখন তা গরম দুধে দিয়ে দিবেন।
  • এরপর কুসুম এবং চিনির মিশ্রণ আস্তে আস্তে প্যানে দিয়ে দিন,এবং নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না ঘন না হয়।
  • ঘন হয়ে গেলে আগুন নিভিয়ে দিন এবং মিশ্রণ ভাল ছাকনি দিয়ে ছেকে নিয়ে ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন।
  • ঠান্ডা হয়ে গেলে তাতে ৩-৪ কাপ হেভি ক্রীম যোগ করে দিন।
  • পরবর্তীতে এই মিশ্রণকে ১ টি স্টীলের বাটিতে ঢেলে নিন এবং রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন।
  • ৪৫ মিনিট পর তা রেফ্রিজারেটর থেকে বের করে ভালোভাবে নেড়ে আবার রেখে দিন। এভাবে ৪ বার করতে হবে।
  • হয়ে গেল আপনার গ্রিন টি আইসক্রিম।

বিশে দ্রষ্টব্য




  • আইসক্রিম আমাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। যারা অনেক কষ্ট করেও ওজন বাড়াতে পারছেন না তারা বেশি ক্যালরির আইসক্রিম খেতে পারেন। আর যাদের ওজন বেশি তারা একটু কম খাওয়াই ভালো।
  • বেশি আইসক্রিম খেলে ডায়াবেটিস, হাই-কোলেস্টেরল, অবেসিটি হতে পারে।
  • আইসক্রিম টনসিল অপারেশনের পর রক্তক্ষরণ বন্ধে সাহায্য করে।
  • আমরা যে কোন আইসক্রিমগুলো খাই তা বাংলাদেশে তৈরী হয়না, বিদেশ থেকে আনা হয় কারণ কোন তৈরীর মেশিন আমাদের দেশের ফ্যাক্টরীগুলোতে নাই।
  • জুলাই মাসের ৩য় রবিবার আমেরিকাতে জাতীয় আইসক্রিম দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
  • ঘরে তৈরী আইসক্রীমের মান ফ্যাক্টরীতে তৈরী আইসক্রিমের চেয়ে অনেক ভালো।

   link

ঢাকা ঘুরতে গেলে জেনে নিন

জাদুঘর, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও বিনোদনকেন্দ্রের সময়সূচি ও ফোন নম্বর

জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোনঃ ৮৬১৯৩৯৬-৯৯
আহসান মঞ্জিল জাদুঘর
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোনঃ ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ধানমন্ডি
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বুধবার।
অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে।
ফোনঃ ৮১১০০৪৬
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেগুনবাগিচা
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রোববার।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি); সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর)।
ফোনঃ ৯৫৫৯০৯১-২
শিশু একাডেমী জাদুঘর
সাপ্তাহিক বন্ধঃ শুক্র ও শনিবার।
রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোনঃ ৯৫৫৮৮৭৪
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
প্রবেশমূল্যঃ জনপ্রতি পাঁচ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোনঃ ৯১১২০৮৪
সামরিক জাদুঘর, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে।
ফোনঃ সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ-৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১ (জাদুঘর এক্সটেনশন-৭৫৪২)
লালবাগ কেল্লা, লালবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রোববার।
সোমবার খোলা থাকে বেলা দেড়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মঙ্গল থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
জুমার নামাজের জন্য শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রবেশমূল্যঃ জনপ্রতি ১০ টাকা; তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ৫০ টাকা।
ফোনঃ ৯৬৭৩০১৮
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), মিরপুর
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)।
প্রবেশমূল্যঃ পাঁচ টাকা। শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। কতৃêপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
ফোনঃ ৮০৩৩২৯২
শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রোববার।
বুধবার শুধু দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); দুপুর দুইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
বুধবার ছাড়া সোম থেকে শনিবার খোলা দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্যঃ জনপ্রতি আট টাকা। প্রতিটি রাইডে চড়ার জন্য মাথাপিছু ছয় টাকার টিকিট দরকার হয়।
ফোনঃ ৮৬২৩৩০৪
ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রোববার (তবে রোববার অন্য কোনো সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও মার্চ-এপ্রিল)। সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা (মে থেকে আগস্ট)। সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)।
প্রবেশমূল্যঃ ১০ টাকা। আগে আবেদন করলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের জন্য ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয় (এতিম ও শারীরিক-মানসিক প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ ছাড়)। ফোনঃ ৮০৩৫০৩৫, ৯০০২০২০, ৯০০২৭৩৮, ৯০০৩২৫২
ভাসানী নভোথিয়েটার, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বুধবার।
প্রদর্শনী শুরু হয় প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর একটা, বেলা তিনটা ও পাঁচটায় (শনি থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)।
শুক্রবার প্রদর্শনী সকাল ১০টা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায়।
সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
টিকিটের মূল্যঃ ৫০ টাকা।
ফোনঃ ৯১৩৯৫৭৭, ৯১৩৮৮৭৮, ৮১১০১৫৫, ৮১১০১৮৪
বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক (ভিক্টোরিয়া পার্ক)
প্রতিদিন ভোর পাঁচটা থেকে সকাল নয়টা এবং বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
বলধা গার্ডেন, ওয়ারী
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)
প্রবেশমূল্যঃ পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব ১০ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রবেশমূল্য দুই টাকা। আর শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
নন্দন পার্ক, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত। যেকোনো সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকে।
ফোনঃ ৯৮৯০২৮৩, ৯৮৯০২৯২
ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ফোনঃ ৯৮৯৬৪৮২, ৮৮৩৩৭৮৬, ৭৭০১৯৪৪-৪৯
ওয়ান্ডারল্যান্ড, গুলশান-২
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত।
ফোনঃ ৯৮৯৭১২৮, ৯৮৯৯৭৩৫
স্টার সিনেপ্লেক্স
বসুন্ধরা সিটি, লেভেল-৮, পান্থপথ
ফোনঃ ৯১৩৪০৯৮, ৯১৩৮২৬০
বলাকা ১ ও ২, নীলক্ষেত
ফোনঃ ৮৬২২১০৩, ৮৬২০০৯০
মধুমিতা
মতিঝিল
ফোনঃ ৯৫৫৪৩৮৬, ৯৫৫০৪৬৩, ৯৫৫০৯৫৩, ৯৫৫০৯৫৪
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ডিসেম্বর ১৪, ২০০৮

দীর্ঘ ভ্রমণে অসুস্থতা?

long-journeyবিমানে বা বাস, ট্রেনে অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে ভ্রমণ করেন। এই সময়ে আসনের সামনে স্বল্প জায়গায় পা ভাঁজ করে অনড় হয়ে বসে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। কিন্তু এ থেকে একটা গুরুতর সমস্যা হতে পারে, যার নাম ডিভিটি বা ডিপ ভেইন থ্রম্বসিস। প্রতি ছয় হাজার ভ্রমণকারীর (চার ঘণ্টার বেশি ভ্রমণকালে) মধ্যে একজনের এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিমান যাত্রায় এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, যেখানে দীর্ঘ সময় পা গুটিয়ে বসে থাকা এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।
কাদের হয়, কেন হয়?
১. বিমান, বাস বা ট্রেনে দীর্ঘ ভ্রমণ (চার ঘণ্টার বেশি), একটানা দীর্ঘ সময় পা ভাঁজ করে অনড় বসে থাকা। পূর্বে রক্ত জমাট বাঁধার ইতিহাস বা নিকট-অতীতে দীর্ঘ সময় ধরে শল্যচিকিৎসা হয়ে থাকলে এই ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।
২. কোনো রোগ বা আঘাতের কারণে যদি দীর্ঘদিন অচল থাকতে হয়। যেমন: ফ্র্যাকচার বা স্ট্রোকের রোগী।
৩. শিরার প্রদাহ, জরাগ্রস্ত রোগী, ৬০ বা এর বেশি বয়সে ঝুঁকি বেশি, গর্ভাবস্থা, স্থূলতা, ধূমপান, ইসট্রোজেনযুক্ত ওষুধ।
ভ্রমণে সতর্কতা:
দীর্ঘ ভ্রমণকালে বিশেষ করে বিমানে পায়ের ব্যায়াম করবেন, যাতে পায়ের শিরায় রক্ত চলাচল ঠিক থাকে। বসা অবস্থায় ৩০ মিনিট পরপর বারবার পা ভাঁজ এবং পা সোজা করুন। আঙুল এবং পায়ের পাতা দিয়ে মেঝে বা পা-দানিতে কিছুক্ষণ পরপর চাপ দিন। পায়ের গোড়ালি ঘুরিয়ে এবং আঙুল নেড়ে পা সচল রাখুন।
- কিছুক্ষণ পরপর পা আসন বরাবর উঁচু করে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন।
- ঘণ্টায় একবার যানবাহনের ভেতরই এবং বিরতিতে অবশ্যই নেমে একটু হেঁটে নেবেন।
- পানিস্বল্পতা এড়াতে প্রচুর পানি এবং অ্যালকোহলমুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত পানীয় পান করুন, ধূমপান পরিহার করুন।
- ঘুমের ওষুধ খাবেন না, এটি শারীরিক সচলতা কমিয়ে দেয়।
- আঁটোসাঁটো পোশাক বা মোজা পরবেন না, ভ্রমণকালীন ইলাসটিক স্টকিং ব্যবহার করতে পারেন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করতে পারেন।
ডা. নাজমুল কবীর কোরেশী |
 মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল। link

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ঢাকার জাদুঘর সমূহ

ঢাকার জাদুঘর সমূহঃ

একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রাথমিক ও পর্যাপ্ত দুটো জ্ঞানই সর্ব সাধারণকে দিয়ে থাকে জাদুঘর সমূহ। ঢাকা শহরে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরের সংখ্যা কম নয়। ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জাদুঘর সমূহ থেকে একটু ঘুরে আসা যাক।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরঃ

১৯১৩ সালে "ঢাকা জাদুঘর" নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন বৃটিশ শাসনামল। প্রাথমিক ভাবে পুরানো সচিবালয়ের (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) একটি কক্ষে এ জাদুঘর ১৯১৩ সালের আগস্ট লর্ড কার মাইকেল আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্ববর্তী বছরে নলিকান্ত ভট্টশালীর উদ্যোগে এটি ঐতিহাসিক গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হয়। নিমতলী প্যালেম (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনোয়ার পাসা ভবনের ভিতরে) এর বায়োদুয়ারিতে এটি স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে সাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ রূপান্তরিত হওয়ার পূর্ব পযর্ন্ত এখানেই জাদুঘরের কার্যক্রম চলতে থাকে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের নিদর্শন সমূহ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রর্দশন ও এই সংক্রান্ত গবেষণা।

বিভাগ : মোট সাত (৭) টি। ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্প কলা জাতি তত্ত্ব ও অলংকরণ শিল্পকলা, সমকালীন শিল্পকলা ও বিশ্বসভ্যতা, প্রাকৃতিক ইতিহাস সংরক্ষণ রসায়নাগার জনশিক্ষা ও প্রশাসন বিভাগ।

গ্যালারি : ৪৪টি

নির্দশন সংখ্যা : প্রায় পঁচাশি হাজার (৮৫,০০০)

সময়সূচী : শনিবার থেকে বুধবার : সকাল ১০.৩০-বিকাল ৪.৩০; শুক্রবার : বিকাল ৩.৩০ - সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিট পর্যন্ত।

সাপ্তাহিক ছুটি : বৃহস্পতিবার ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন সমূহ।

প্রবেশ মূল্য : পাঁচ (৫) টাকা জনপ্রতি।

অবস্থান ও যোগাযোগের বিভাগ : শাহবাগ, ঢাকা।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা-১০০০। ফোন/ইমেইল/ওয়েব সাইট ঃ ৮৬১৯৩৯৬-৯৯, http://www.bangladeshmuseuom.gov.bd

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৬৬

প্রকৃতি ও অবস্থান : সরকারি-আগারগাঁও শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সর্বসাধারণের মধ্যে জনপ্রিয় করে তোলা বিশেষ করে তরুণ শিক্ষার্থী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা।

গ্যালারি : ছয় (৬)টি। ভৌত বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি, শিল্প প্রযুক্তি, মজার বিজ্ঞান ও শিশু গ্যালারি।

সময়সূচী : শনিবার-বুধবার ঃ সকাল ৯টা- বিকাল ৫টা আকাশ পর্যবেক্ষণ : শনি ও রবিবার সন্ধ্যা ৬টা-রাত্রি ৮টা পর্যন্ত (আকাশ মেঘ মুক্ত থাকা সাপেক্ষে)

সাপ্তাহিক ছুটি : বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সমূহ।

প্রবেশ মূল্য : পাঁচ (৫) টাকা জনপ্রতি।

যোগাযোগের ঠিকানা : শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭, ফোন/ওয়েব সাইট ঃ ৯১১২০৮৪ www. nmstgov.bd|

পোস্টাল মিউজিয়ামঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৮৫

প্রকৃতি ও অবস্থান : সরকারী-ঢাকা জিপিও

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : আধুনিক ডাক ব্যবস্থার গোড়া পত্তন থেকে বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত ডাক সরঞ্জামাদি ও ডাক টিকিটের স্থায়ী সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

গ্যালারি : দুইটি (২) টি প্রদর্শনী কক্ষ।

সময়সূচী : রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা-বিকাল ৫টা।

সাপ্তাহিক ছুটি : শুক্রবার, শনিবার (অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সমূহ)

প্রবেশমূল্য : নাই

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক, পোস্টাল মিউজিয়াম, ঢাকা জিপিও, ঢাকা-১০০০, ফোন ঃ ৯৫৫২৫২৭।

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৮৭

প্রকৃতি, অবস্থান : সরকারি বিজয়সরণি ঢাকা।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত বিভিন্ন সমরান্ত্রের স্থায়ী সংরক্ষণ ও প্রর্দশন।

গ্যালারি : আট (৮)টি - দুই কক্ষ বিশিষ্ট।

সময়সূচী : শনিবার-বুধবার ঃ সকাল ৯টা- ৫টা

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর- বিজয়সরণি, ঢাকা-১২১৫, ফোন ঃ ৮৭৫০০১১ বর্ধিত ৭৫৪২।

ভাষা আন্দোলন মিউজিয়ামঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৮৯

প্রকৃতি, অবস্থান : বেসরকারি, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : ভবিষ্যত প্রথম ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনের জন্য বাংলা ভাষা ও ভাষা আন্দোলনের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য এবং ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের স্মৃতি ও স্থায়ী সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

গ্যালারি : ছয় (৬) টি। গবেষণা, প্রদর্শন, ডকুমেন্টশন, কম্পিউটার আইটি, ফিল্ম ও তথ্য, প্রকাশনাও গ্রন্থাগার।

সময়সূচী : প্রতিদিন সকাল ৯টা- রাত্রি ৮টা।

সাপ্তাহিক ছুটি : নাই।

প্রবেশ মূল্য : নাই।

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক, ভাষা আন্দোলন মিউজিয়াম, বাড়ি ৫, সড়ক ১০, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা।

যোগাযোগ : ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৫

ফোন, ওয়েব সাইট : ৯১১৪৯৯২, www. bhasha_andolon.org.bd |


শিশু জাদুঘরঃ


প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯১

প্রকৃতি, অবস্থান : সরকারি-বাংলাদেশ শিশু একাডেমী হাইকোর্ট।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : শিশুদের মানসিক বিকাশ।

বিভাগ : দুই (২) টি।

গ্যালারি : ৯৬টি শো-কেস।

সময়সূচী : রবিবার-বৃহস্পতিবার; সকাল ৯টা-৫টা।

সাপ্তাহিক ছুটি : শুক্রবার, শনিবার

প্রবেশ মূল্য : নাই।

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, ঢাকা-১০০০, ফোন : ৯৫৫৮৮৭৪।

ডাকসু সংগ্রহশালাঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯১

প্রকৃতি, অবস্থান : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা সম্পর্কে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে অবহিত করা।

গ্যালারি : এক কক্ষ বিশিষ্ট গ্যালারিতে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন সময়ে ভাষা, গণতান্ত্রিক, অধিকার ও সর্বোপরি স্বাধীনতা আন্দোলনে ছাত্র সমাজের অবদানের গুরুত্বপূর্ণ স্মারকসমূহের সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

সময়সূচি : সপ্তাহের প্রতিদিন খোলা

যোগাযোগের ঠিকানা : ডাকসু সংগ্রহশালা, ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আহসান মঞ্জিল জাদুঘরঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯২

প্রকৃতি, অবস্থান : আহসানুল্লাহ রোড, নওয়াব বাড়ি, ঢাকা।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : ঢাকার নবাবদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও তাদের অবদান দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরা।

গ্যালারি : ৩১টি কক্ষে ২৩টি প্রদর্শনী

সময় সূচি : শনি-বুধবার, সকাল ৯টা-বিকাল ৫টা (অক্টোবর-মার্চ)। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর)।

সাপ্তাহিক বন্ধ : বৃহস্পতিবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সমূহ।

প্রবেশ মূল্য : দুই টাকা।

যোগাযোগ ঠিকানা : পরিচালক, আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, নওয়াব বাড়ি, ঢাকা-১০০০, ফোন : ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯৪প্রকৃতি, অবস্থান : বেসরকারি, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক ও বাঙালি জাতির ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।

গ্যালারি : নীচ তলায় দু’টি কক্ষ যেখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য সংগ্রামী জীবনের সচিত্র প্রদর্শনী, দ্বিতীয় তলায় তিনটি কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও পারিবারিক জীবনের সচিত্র প্রদর্শন।

সময়সূচি : বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার-সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা।

সাপ্তাহিক বন্ধ : বুধবার

প্রবেশ মূল্য : দুই টাকা

যোগাযোগ ঠিকানা : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু ভবন, বাড়ি ১০, সড়ক-১২, (পুরাতন ৩২), ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৯, ফোন : ৮১১০০৪৬।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ


প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯৬

প্রকৃতি, অবস্থান : বেসরকারি, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : ১৯৭১ সালে গণতন্ত্র ও জাতীয় অধিকারের জন্য পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে জনগণের বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে পরিচিত করানোর প্রয়াস।

গ্যালারি : ৬টি

সময়সূচি : সোমবার-শনিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা (অক্টোবর-ফেব্রুয়ারি), সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (মার্চ-সেপ্টেম্বর)।

সাপ্তাহিক বন্ধ : রবিবার

প্রবেশমূল্য : ৫ টাকা

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ৫, সেগুন বাগিচা, ঢাকা-১০০০, ফোন : ৯৫৫৯০৯১।

বিজয় কেতন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ

প্রতিষ্ঠাকাল : ২০০০

প্রকৃতি, অবস্থান : সরকারি, ঢাকা সেনানিবাস।

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

গ্যালারি : ৬টি

সময়সূচি : শনিবার-বুধবার ৩টা-৮টা পর্যন্ত

সাপ্তাহিক বন্ধ : বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার

প্রবেশ মূল্য : নাই

যোগাযোগের ঠিকানা : পরিচালক, বিজয় কেতন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা। ফোন : ৮৭৫০০১১ বর্ধিত ৭৫৫৮।

বাঙালি সমগ্র জাদুঘরঃ


প্রতিষ্ঠাকাল : ২০০৪

প্রকৃতি, অবস্থান : বেসরকারি এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য : বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারাকে সমৃদ্ধ করতে যেসকল কীর্তিমান বাঙালি অবদান রেখেছেন তাদের সৃষ্টি ও কর্ম সংগ্রহ, স্থায়ী সংরক্ষণ ও প্রদর্শন।

গ্যালারি : চারটি বিভাগের আওতায় দুই হাজার বর্গফুটের দুইটি প্রদর্শনী কক্ষে প্রয়াত বিশিষ্ট বাঙালির পোট্রের্ট ও দুর্লভ স্মারক প্রদর্শিত হচ্ছে।

সময়সূচি : প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা মধ্যহ্ন বিরতি দুপুর ২টা থেকে ৪টা, শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

সাপ্তাহিক বন্ধ : শুক্রবার সকাল

প্রবেশ মূল্য : ২ টাকা

যোগাযোগের ঠিকানা : বাঙালি সমগ্র জাদুঘর, ২৩৫/২, এলিফ্যান্ট রোড, খায়ের ম্যানশন, বাটা সিগন্যাল মোড়, ঢাকা-১২০৩। ফোন : ৮৬২৩৩৪৬।

Link 

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

কিভাবে পায়জা একাউন্ট করবেন

অনেকেই পায়জা সম্পর্কে জানেন আবার অনেকেই পায়জার একাউন্ট কিভাবে খোলে তা জানে না তাই জেনে নিন কিভাবে পায়জা একাউন্ট করবেন

অনলাইন ডেস্ক:অনেক লোক আছে যারা পায়জা একাউন্ট করতে পারেন না তো পায়জা একাউন্ট কিভাবে খুলবেন তা এখানে আপনাকে দেখানো হবে মানে জানানো হবে এর জর জন্য আপনাকে এখানে ক্লিক করে পায়জার সাইনঅআপ পেজে যেতে হবে।
এরপর Sign Up Now বাটনে ক্লিক করুন >>> Personal Pro সিলেক্ট করুন >>> যে ফর্মটি আসবে তা সঠিক ভাবে ফিল-আপ করে Next Step এ ক্লিক করুন আপনার National ID কার্ড এর সব তথ্যের সাথে মিল রেখে সেকন্ড স্টেপ এ আপনি আপনার Email address , Password , Transaction Pin (যা ডলার সেন্ড করতে দরকার হবে) এবং Security Question সিলেক্ট করে আনসার লিখে Final Step এ ক্লিক করতে হবে.
তারপর যে ইমেল দিয়ে Registration করলেন সেই ইমেল এর লগিন করে ইনবক্স এ গিয়ে আপনার Payza Account Validation করতে হবে. এখন আপনার কাজ শেষ।
এখন কিভাবে Payza একাউন্ট ভেরিফিকেশন করবেন:
Document Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে গেলে যা যা লাগবে :
আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি।
আপনার এক মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( সর্বচ্চো ছয় মাসের পুরোনো )
আর আপনি যদি Photo ID Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে চাই তাহলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের দরকার হবে।
উল্লেখ্য যে Photo ID Validation পদ্ধতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কোনো প্রয়োজন নেই।
চলুন দেখা যাক কিভাবে ভেরিফাই করবেন আপনার পেজ একাউন্ট :
আপনার পেজা একাউন্টে লগইন করে উপরে ডান দিকে Verification এ ক্লিক করুন
এখান থেকে আপনার পছন্দের অপশনটি বেছে নিন।
আমি Document Validation অপশনটি বেছে নিলাম।
Photo ID অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন এবং Choose File থেকে আপনার ডকুমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করুন।
এবার তার নিচে Bank Document এর নিচে Bank Statementএ টিক চিহ্ন দিয়ে ব্যাংক স্টেটমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে দিন।
সবকিছু ঠিক থাকলে Next চাপুন।
আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টের প্রিভিউ দেখতে পাবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে সেন্ড অপশনে ক্লিক করে আপনার রিকোয়েস্টটি সেন্ড করুন।
এবার দেখা যাক কিভাবে Photo ID Validation পদ্ধতিতে ভেরিফাই করবেন :
আবার Verification এ গিয়ে Photo ID Validation অপশন সিলেক্ট করুন।
নিচের মত পেজ পাবেন।
Photo ID থেকে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড , পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে Next চাপুন।
আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টের প্রিভিউ দেখতে পাবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে Send অপশনে ক্লিক করে রিকোয়েস্ট সেন্ড করুন।
ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট দেবার 2-3 দিনের মাঝেই পেজা থেকে রিপ্লাই পাবেন।
পনার আপলোড করা ডকুমেন্ট যদি সঠিক হয় তাহলে পেজা আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে দেবে।
তবে যদি আপনার ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করা না হয় তাহলে পেজা থেকে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে কি কারনে আপনার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট কয়ার সম্ভব হয়নি।
একাউন্ট ভেরিফাই করার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট না হবার কিছু কারন :
আপনার সাবমিট করা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের স্ক্যান কপি অস্পষ্ট হলে।
আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেয়া নাম বা ঠিকানার সাথে যদি আপনার পেজা একাউন্টের নাম বা ঠিকানা না মেলে।
আপনার সাবমিট করা ডকুমেন্ট ব্রোকেন হলে।

পায়জার একাউন্ট কিভাবে খুলবেন জেনে নিন

অনেক লোক আছে যারা পায়জা একাউন্ট করতে পারেন না তো পায়জা একাউন্ট কিভাবে খুলবেন তা এখানে আপনাকে দেখানো হবে মানে জানানো হবে এর জর জন্য আপনাকে এখানে ক্লিক করে পায়জার সাইনঅআপ পেজে যেতে হবে।
এরপর Sign Up Now বাটনে ক্লিক করুন >>> Personal Pro সিলেক্ট করুন >>> যে ফর্মটি আসবে তা সঠিক ভাবে ফিল-আপ করে Next Step এ ক্লিক করুন আপনার National ID কার্ড এর সব তথ্যের সাথে মিল রেখে সেকন্ড স্টেপ এ আপনি আপনার Email address , Password , Transaction Pin (যা ডলার সেন্ড করতে দরকার হবে) এবং Security Question সিলেক্ট করে আনসার লিখে Final Step এ ক্লিক করতে হবে.
তারপর যে ইমেল দিয়ে Registration করলেন সেই ইমেল এর লগিন করে ইনবক্স এ গিয়ে আপনার Payza Account Validation করতে হবে. এখন আপনার কাজ শেষ।
এখন কিভাবে Payza একাউন্ট ভেরিফিকেশন করবেন:
Document Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে গেলে যা যা লাগবে :
আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি।
আপনার এক মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( সর্বচ্চো ছয় মাসের পুরোনো )
আর আপনি যদি Photo ID Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে চাই তাহলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের দরকার হবে।
উল্লেখ্য যে Photo ID Validation পদ্ধতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কোনো প্রয়োজন নেই।
চলুন দেখা যাক কিভাবে ভেরিফাই করবেন আপনার পেজ একাউন্ট :
আপনার পেজা একাউন্টে লগইন করে উপরে ডান দিকে Verification এ ক্লিক করুন
এখান থেকে আপনার পছন্দের অপশনটি বেছে নিন।
আমি Document Validation অপশনটি বেছে নিলাম।
Photo ID অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন এবং Choose File থেকে আপনার ডকুমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করুন।
এবার তার নিচে Bank Document এর নিচে Bank Statementএ টিক চিহ্ন দিয়ে ব্যাংক স্টেটমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে দিন।
সবকিছু ঠিক থাকলে Next চাপুন।
আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টের প্রিভিউ দেখতে পাবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে সেন্ড অপশনে ক্লিক করে আপনার রিকোয়েস্টটি সেন্ড করুন।
এবার দেখা যাক কিভাবে Photo ID Validation পদ্ধতিতে ভেরিফাই করবেন :
আবার Verification এ গিয়ে Photo ID Validation অপশন সিলেক্ট করুন।
নিচের মত পেজ পাবেন।
Photo ID থেকে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড , পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে Next চাপুন।
আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টের প্রিভিউ দেখতে পাবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে Send অপশনে ক্লিক করে রিকোয়েস্ট সেন্ড করুন।
ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট দেবার 2-3 দিনের মাঝেই পেজা থেকে রিপ্লাই পাবেন।
পনার আপলোড করা ডকুমেন্ট যদি সঠিক হয় তাহলে পেজা আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে দেবে।
তবে যদি আপনার ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করা না হয় তাহলে পেজা থেকে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে কি কারনে আপনার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট কয়ার সম্ভব হয়নি।
একাউন্ট ভেরিফাই করার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট না হবার কিছু কারন :
আপনার সাবমিট করা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের স্ক্যান কপি অস্পষ্ট হলে।
আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেয়া নাম বা ঠিকানার সাথে যদি আপনার পেজা একাউন্টের নাম বা ঠিকানা না মেলে।
আপনার সাবমিট করা ডকুমেন্ট ব্রোকেন হলে।
link 

বিকাশ ওয়ালেট এ কিভাবে আকাউন্ট করবেন

বিকাশ হচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি উদ্যোগ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকে পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) হিসেবে নিবন্ধিত। দেশজুড়ে এর রয়েছে ১০,০০০ এরও বেশি প্রতিনিধি, যারা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা প্রদান করে।কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে নিবন্ধন এটি সহজ প্রক্রিয়া। এবার আপনি ও নিবন্ধীকৃত হয়।আপনি সমস্ত bKash পরিষেবা ব্যবহার করতে পাবেন।
মুহূর্তে নিবন্ধন করতে পারবে Robi ,বাংলালিংক এবং গ্রামীণফোন গ্রাহকরা।অন্যান্য অপারেটর থেকে গ্রাহক bKash ব্যবহার করতে পারবেন না। bKash সহজ ২টি পদ্ধিতিতে আপনি একটি গ্রাহক হিসেবে নিবন্ধন করার উপায় উপলব্ধ করতে পারবেন।কেবলমাত্র একটি ফরম পুরন করলে এজেন্ট আপনার দোরগোড়ায় আপনার নিবন্ধীকরণ গ্রহণের জন্য আসবে।
অথবা, আপনি নিচের কাজগুলো করতে পারেন -
01. আপনার কাছাকাছি bKash প্রতিনিধি কাছে যান। সাথে আপনার সক্রিয় Robi বা গ্রামীণফোন নাম্বার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে যান।
খ. আপনার ফটো আইডি একটি অনুলিপি (জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / অন্যান্য বৈধ ফটো আইডি নিয়ে যেতে হবে।
গ. পাসপোর্ট সাইজ 2 কপি ছবি লাগবে।
02. নিবন্ধীকরণের পরে,  আপনার wallet সক্রিয় করা প্রয়োজন
নিচে দেখুন -

bKash এজেন্ট প্রক্রিয়া চলাকালে আপনি নিবন্ধীকরণ সম্পূর্ণ করার জন্য সাহায্য করবে। আপনি আপনার ফোনে একটি SMS বিজ্ঞপ্তি নিবন্ধন প্রতিপাদক পাবেন।
এখন দেখুন কিভাবে আপনি আপনার wallet bkash একাউন্ট এ টাকা জমা করবেন। আপনার wallet টাকা জমা দেওয়ার জন্য, নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন: -
01. কোনো bKash এজেন্ট এ যান
02. তাকে জানান কত টাকা জমা করতে চান
03. আপনার wallet number এবং টাকার পরিমাণ এজেন্ট register লিখে রাখুন
04. অর্থের পরিমাণ জমা দিন এজেন্ট এর কাছে।
05. এজেন্ট টাকা পাটিয়ে দেবে আপনার wallet number এ
06. আপনি এবং প্রতিনিধি উভয় নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন. কাউন্টার ছাড়ার আগে থেকে প্রতিনিধি রেজিস্টার আপনার স্বাক্ষর করে নিন মনে রেখবেন।
যদি আপনার bKash wallet টাকা থাকে আপনি যেকোন প্রান্ত থেকে যে কোনো সময় নগদ টাকা তুলতে পারবেন আপনার wallet থেকে ।নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন: -
01. কোনো bKash এজেন্ট যান
02. টাকার পরিমাণ আপনি উঠাতে চান জানা
03. আপনার wallet number ও টাার পরিমাণ নিবন্ধন লিখে রাখুন
04. * 247#ডায়াল করুন bKash মেনু জন্য আপনার মোবাইল ফোনে
05. নির্বাচন করুন “আউট ক্যাশ”
06. From Agent নির্বাচন করুন
07. wallet numberলিখুন
08. পরিমাণ লিখুন
09. আপনার wallet পিন লিখুন
10. সম্পন্ন হলে আপনি এবং Update Agent-এ উভয় নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন। কাউন্টার পেলে পরিমাণ গণনা এবং Update Agent-এ নিবন্ধন করুন আপনার স্বাক্ষর করুন।

আপনি আপনার wallet ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।যে কোনো সময় আপনি আপনারwallte পিন পরিবর্তন করতে পারবেন।