বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪

ঋণ সংক্রান্ত পরামর্শ

ঋণ

ঋন কেন প্রয়োজন?

আপনার প্রয়োজনটি সঠিকভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন। কেন, কি পরিমান ঋন আপনার প্রয়োজন/দরকার?

ঋনের উৎস - কি করণীয়?

আপনি যে কোন সরকারী বা বেসরকারী ব্যাংক থেকে ঋন পেতে পারেন এবং সব ক্ষেত্রেই আপনাকে ঋন দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ এর মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক তৈরী করতে হবে। এতে করে আপনি আপনার ঋন পাবার সম্ভাবনা বাড়াতে পারেন। তাই ব্যাবসার ঋনের প্রয়োজন হওয়ার আগে থেকেই এর প্রস্তুতি নিতে হবে। এগুলো হলো-
       
  • নিয়মিত হিসাব সংরক্ষণ করা এবং লাভক্ষতি জানা।
  •    
  • ব্যাংক এর মাধ্যমে লেনদেন করা এবং ব্যাংকে হিসাব খোলা।
  •    
  • ঋনের পরিমান, সময় এবং পরিশোধের পরিকল্পনা (কিভাবে ঋনের টাকা শোধ করবেন)।
  •    
  • ব্যাংকের কাছ থেকে নিয়মকানুন গুলো জেনে নিন।

বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংকই কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ঋন প্রদান করে থাকে।আপনার নিকতস্থ  ব্যাংক এর  ঋন সংক্রান্ত তথ্য (নিয়ম কানুন) এবং ঠিকানা জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ঋণ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের তালিকাঃ

 ১. সঠিক ভাবে পূরণ কৃত লোন আবেদন পত্র ফরম
  ২. সঠিক ভাবে পূরণকৃত এবং স্বাক্ষরযুক্ত  সিআইবি ফরম
  ৩. বৈধ ট্রেড লাইসেন্স
  ৪. লীজ / ভাড়ার দলিল
  ৫. ইমপোর্ট লাইসেন্স (যেখানে প্রযোজ্য)
  ৬. এক্সপোর্ট লাইসেন্স (যেখানে প্রযোজ্য)
  ৭. আয়কর পরিশোধের সার্টিফিকেট
  ৮. সংগঠনের চুক্তিনামা
  ৯. সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর পরিচালক বৃন্দের অভিমত(যেখানে প্রযোজ্য)
  ১০. অংশীদার নামার কপি
  ১১. বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের সর্বশেষ পরিশোধকৃত বিলের কপি
  ১২. স্থায়ী সম্পত্তির তালিকা
  ১৩. সরঞ্জামের তালিকা
  ১৪. ক্রেতা ও বিক্রেতার তালিকা
  ১৫. একাউন্টের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  ১৬. অভিজ্ঞতার সনদপত্র (যদি থাকে)
  ১৭. সেলস স্টেটমেন্ট লাগবে(যেখানে প্রযোজ্য)
  ১৮. ভ্যাট দেয়ার সার্টিফিকেট
আপনি কি ঋন সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ সেবা নিতে চান? আমাদের পরামর্শক দল থেকে শীঘ্রই আপনাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। হ্যাঁ হলে, ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন!

যোগাযোগ

আপনার যেকোন প্রশ্ন জানতে যোগাযোগ করুন-
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি)
বাড়ী নং- বি১৬৫, রোড নং- ২৩
মহাখালী ডিওএইচএস, মহাখালী
ঢাকা-১২০৬, বাংলাদেশ।
ফোন: ০২৮৭১৪১৬৯
মোবাইল: ০১৭১৬১৩৯০২২, ০১৭৩১৩৭৫০০০, ০১৭৪৬৭৭৪২৮১
Email: info@biid.org.bd
 

ন্যাশনাল আই.ডি কার্ড হারিয়ে গেলে করনীয়


ন্যাশনাল আই.ডি কার্ড হারিয়ে কি কি করতে হবে তা জেনে নিনঃ

১। প্রথমেই আপনার এলাকার থানায় একটা জি.ডি করুন। জি.ডি লেখার জন্য থানায় সাহায্য করার লোক থাকে, না হলে আপনি নিজেই লিখে নিন। জিডিতে আপনার নাম, বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আই.ডি নং (যদি না মনে থাকে তাহলেও সমস্যা নেই) সহ হারিয়ে যাবার কারন উল্লেখ করে জিডি লেখুন। জিডির কার্বন কপিতে সিল সহ সংস্লিষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে।

২। এখন এই জিডির কপিসহ চলে যান আগারগাঁও এর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৭ তলায়। যদি ভোটার আই.ডি নম্বর না জ্রন্র থাকেন তাহলে আরেকটু কষ্ট করতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটু দুরেই পানির ট্যাঙ্কি মোড়ে অবস্থিত জেলা নির্বাচন অফিসে রিক্সা দিয়ে চলে যান। সেখানে আপনার এলাকার থানার জন্য আলাদা কক্ষ আছে। সেখানে গিয়ে আপনার এলাকার নাম বললেই সনশ্লিষ্ট ব্যাক্তি একটা বই বের করে দেবে। সবচেয়ে ভাল হয় সাথে এমন কারও আইডি নিয়ে যাওয়া যেটার নম্বর আপনার ভোটার নম্বরের কাছাকাছি। আপনার নম্বরটি সঠিক ভাবে লিখে নিন। এরপর সোজা চলে যান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৭ তলায়।

৩। সেখানে গিয়ে দেখবেন অনেক লোক মিলে ব্যাপক লেখালেখির কাজ করছে। সেখানে তথ্যানুসন্ধান ডেস্ক থেকে একটি হারানো আবেদন ফর্ম চেয়ে নিন। সেই ফর্মের সাথে একটি স্লিপ দেবে। সেই স্লিপ ও ফরম পুরন করে একটা সিরিয়াল কুপন নিয়ে একটু অপেক্ষা করুন। বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে হবে না আপনার কাছাকাছি সিরিয়াল ডিজিটাল বোর্ডে দেখার সাথে সাথে ভেতরে ঢুকে যান। সেখানে হারানো জমাদান লেখা একটা ডেস্কের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে যান সেখানে ফর্মটি জিডি সহ জমা দিন। তারা আপনাকে ফর্মটি সিল মেরে একটা তারিখ লিখে দেবে কবে কার্ড নিতে আসবেন।

৪। নির্দিষ্ট তারিখে স্লিপ সহ চলে যান, সেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৭ তলায়। একটা কুপন নিয়ে দাঁড়িয়ে যান, হারানো সংগ্রহ লেখা কাউন্টারের সামনে, স্লিপটি জমা দিন। তারা আপনার চেহারার সাথে মিলিয়ে আপনার কার্ড দিয়ে দেবে। ব্যাস, খুবই সহজ পদ্ধতি, কোন ঝামেলা নেই।

এখানে কিছু কথা বলে রাখা ভালো, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গেটের সামনে দারোয়ান টাইপের কিছু লোক আপনাকে কনভিন্স করার চেষ্টা করতে পারে, যে তাকে কিছু টাকা দিলে সে ফর্ম এনে দেবে, আপনার সময় কম লাগবে....... ইত্যাদি। কারও কথা শুনবেন না। এখানে একটা টাকাও লাগেনা। আপনি সোজা ৭ তলায় চলে যাবেন। বরং দালাল ধরলেই বেশী সময় লাগবে। ফর্মজমা দিতে ৩০ মিনিট আর তুলতে ১৫ মিনিট লাগতে পারে।

প্লট বা ফ্ল্যাট কেনার প্রয়োজনীয় সব নিয়মকানুন

মানুষের কাছে জীবনের পর যে বিষয়টি অতি মূল্যবান,তা হল একটা নিরাপদ আবাসস্থল। প্রায় সব মানুষই চায় নিরাপদভাবে বসবাস করতে। বর্তমানে কেউ কেউ এর চাহিদা মেটাতে গিয়ে রিয়েল এস্টেটের দিকে ঝুঁকছেন অর্থাৎ প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করছেন। যদি প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে আর দেরী কেন?এখনই এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব নিয়মকানুন জেনে নিন। বেসরকারী উদ্যোগে অথবা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে কিংবা বিদেশী অর্থায়নে রিয়েল এস্টেট প্লট অথবা এপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বা শিল্প বা বাণিজ্যিক প্লট বা ফ্ল্যাট বা প্রাতিষ্ঠানিক বা মিশ্র ফ্লোর স্পেস জাতীয় স্থাবর ভূ-সম্পত্তির উন্নয়ন, ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ, বরাদ্দ, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি সংক্রান্ত ব্যাপারে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। এতে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার নিবন্ধন, ডেভেলপারের দায়-দায়িত্ব, ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণ, রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলী, হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন করা, ভূমি মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে চুক্তি, রিয়েল এস্টেট এর সুবিধাদি, রিয়েল এস্টেট এর মূল্য পরিশোধের নিয়মাবলী, রিয়েল এস্টেট এর সেবাসমূহ, ক্রেতা কর্তৃক এককালীন মূল্য বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা, ডেভেলপার কর্তৃক রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থতা, ক্রেতা কর্তৃক অর্থ ফেরত গ্রহণের নিয়মাবলী, স্থাপত্য নকশা বা দখল হস্তান্তর পত্র প্রদান, অপরাধ, বিচার ও দন্ড ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। এখানে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইনের শুধু মাত্র গুরুত্বপূর্ণ সব অংশ আপনার জন্য তুলে ধরা হলঃ

ডেভেলপারের দায়-দায়িত্বঃ
সকল নিবন্ধিত ডেভেলপারকে তাদের প্রস্তুতকৃত প্রসপেক্টাসে রিয়েল এস্টেট এর নিবন্ধন নম্বরসহ তার নাম, ঠিকানা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নকশার অনুমোদন নম্বরসহ স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন এবং ডেভেলপার কর্তৃক হস্তান্তর দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা বা অধিকার প্রাপ্তির পূর্বে রিয়েল এস্টেট ক্রয়বিক্রয়ের জন্য প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে প্রচার করতে পারবে না। প্রকল্প অনুমোদনের পূর্বে ক্রেতার নিকট ডেভেলপার কোন রিয়েল এস্টেট বিক্রয় করতে বা বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হতে পারবে না। প্রত্যেক ডেভেলপার ক্রেতাকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র প্রদর্শন করবে। অনুমোদিত নকশা ব্যতীত অন্যান্য সহযোগী স্থাপত্য নকশা, কাঠামোগত নকশাসহ অন্যান্য বিল্ডিং সার্ভিসেস ডিজাইন ও দলিলাদি ডেভেলপার কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে। বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে আবাসিক প্লট প্রকল্পের আওতাধীন জমির মালিকানা স্বত্ব ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা,২০০৪ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে অনুসরণ করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা,২০০৪ প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে এবং প্রযোজ্য ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট এর নকশার অনুমোদন, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প উন্নয়ন, সংশোধন, পুনঃঅনুমোদন বা নবায়ন করতে হবে। বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের লে-আউট প্ল্যান নির্ধারিত পদ্ধতিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নবিধিমালা, ২০০৪ অনুযায়ী নাগরিক সুবিধাদি যতদূর সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট উন্নয়নপ্রকল্প এমনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে যাতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট যে কোন প্রকারের অবকাঠামো বা প্লট বা ফ্ল্যাট বা রাস্তাঘাট, বৈদ্যুতিক সংযোগ, পানি সরবরাহ, পয়ঃ ও পানি নিষ্কাশন, গ্যাস সরবরাহ এবং টেলিফোন সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধার কোনরূপ ক্ষতি সাধন না হয়।

ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণঃ
কোন ডেভেলপার জমি ক্রয় করে ওই জমিতে মালিক হয়ে উক্ত জমির উপর বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে এই আইনের সকল বিধি-বিধান তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। কোন ব্যক্তি এককভাবে বা কয়েকজন ব্যক্তি যৌথভাবে কোন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না হয়েও তার বা তাদের নিজস্ব ভূমির উপর ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে, তার বা তাদের ক্ষেত্রেও, যতদূর প্রযোজ্য হয়, এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলীঃ
প্রসপেক্টাসে বা বরাদ্দপত্রে রিয়েল এস্টেট এর বিক্রয়যোগ্য এলাকার বিভাজনসহ যথাযথ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ উল্লেখ করতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিস্তারিত শর্ত, পক্ষদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার সম্মতিক্রমে বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট প্লট বা ফ্ল্যাট পরিবর্তন করতে পারবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার নিকট হতে চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তের বাহিরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ পরবর্তীতে কোন উন্নতমানের সরঞ্জামাদি সংযোজনের প্রস্তাব করে পরস্পর সম্মত হয়ে এই মর্মে কোন সম্পূরক চুক্তি সম্পাদন করলে এই বিধান কার্যকর হবে না।

হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনঃ
(১) রিয়েল এস্টেটের সমুদয় মূল্য পরিশোধের পর ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাসের মধ্যে ক্রেতাকে রিয়েল এস্টেটের দখল হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে দিবে। 
(২) রিয়েল এস্টেট এর দখল হস্তান্তরকালে এর আয়তন কম বা বেশি হলে তার মূল্য ক্রয়কৃত দর অনুযায়ী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।
(৩) কোন ডেভেলপার কোন ভূমির মালিকের নিকট হতে বা পক্ষে আম-মোক্তারনামা দলিলবলে ভূমি প্রাপ্ত হয়ে ঐ ভূমিতে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ এবং সেই অংশে প্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট ক্রেতাগণের নিকট বিক্রয়ের প্রস্তাব করলে ভূমির মালিক বা তার পক্ষে আম-মোক্তারনামা দলিলে, উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে, এই মর্মে ডেভেলপারকে ক্ষমতা অর্পণ করতে হবে যাতে ডেভেলপার তার অংশে প্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট বাবদ দলিল স্বয়ং সম্পাদন করে বিক্রয় বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করতে পারে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত মতে ভূমির মালিক বা তার পক্ষে ডেভেলপারকে আম-মোক্তারনামা দলিলের মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করে রিয়েল এস্টেট বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষমতা অর্পণ করা না হলে, নির্মিত রিয়েল এস্টেট বিক্রয় বা হস্তান্তরযোগ্য হবার পর ডেভেলপার কর্তৃক লিখিতভাবে অনুরুদ্ধ হবার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ভূমির মালিক বা তার পক্ষে ক্রেতার অনুকূলে দলিল সম্পাদন করে দিতে হবে।
(৫) প্রচলিত অন্য কোন আইনে ভিন্ন কিছু যাই থাকুক না কেন, ডেভেলপার কর্তৃক উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুরুদ্ধ হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমির মালিক বা তার পক্ষে দলিল সম্পাদন করা না হলে, ডেভেলপার স্বয়ং এই ধারার ক্ষমতাবলে সেই অংশ এমনভাবে ক্রেতার বরাবরে দলিল সম্পাদন করে দিতে পারবে যেন ডেভেলপার নিজেই ঐ ভূমি ও রিয়েল এস্টেটের মালিক।

ভূমি মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে চুক্তিঃ
(১) ভূমির মালিক রিয়েল এস্টেট উন্নয়নের লক্ষ্যে ডেভেলপারের সাথে লিখিত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন করবেন। 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত চুক্তিতে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন বাবদ ডেভেলপারের প্রাপ্ত অংশের পরিমাণ উল্লেখপূর্বক প্রাপ্ত অংশ ডেভেলপারের মনোনীত ক্রেতা বরাবর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়ার ক্ষমতা প্রদানের লক্ষ্যে ডেভেলপার বরাবর আম-মোক্তারনামা দলিল সম্পাদনের শর্ত উল্লেখসহ ভূমি উন্নয়ন বা নির্মাণ কাজ শুরু ও শেষ করবার সময় উল্লেখ থাকবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন বা নির্মাণ কাজ শুরু ও শেষ করতে হবে।

রিয়েল এস্টেট এর সুবিধাদিঃ
রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪ অনুযায়ী নাগরিক সুবিধাদি, যতদূর সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। ডেভেলপার কতৃর্ক নির্মিত সকল প্রকার রিয়েল এস্টেট আলো-বাতাস চলাচলের উপযোগী হতে হবে; হস্তান্তরের পূর্বে তাতে সকল প্রকার ইউটিলিটি সার্ভিস যেমন পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পয়ঃনিস্কাশন, বর্জ্যব্যবস্থাপনা, অগ্নি নিরোধক ব্যবস্থা ইত্যাদি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সংযোগ থাকতে হবে; এবং হস্তান্তরের পর নির্মাণ সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে মেরামতের প্রয়োজন হলে হস্তান্তরের তারিখ হতে অন্যূন ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত ডেভেলপারের নিজ খরচে ঐ মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রত্যেক ডেভেলপারকে রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরের পর অন্যূন ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত এর রক্ষণাবেক্ষণের করতে হবে। রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে তাতে কোন সুযোগ-সুবিধা হ্রাস বা কমন স্পেস এর পরিবর্তন করা যাবে না। প্রত্যেক ডেভেলপারকে ক্রেতার অনুকূলে রিয়েল এস্টেট বরাদ্দের সময় প্রকল্পের স্থাপত্য নকশায় এবং লে-আউটে চিহ্নিত নাগরিক সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কিত তথ্য সম্বলিত বিবরণী প্রদান করতে হবে।

রিয়েল এস্টেট এর মূল্য পরিশোধের নিয়মাবলীঃ
প্রসপেক্টাস বা বরাদ্দপত্রে উল্লিখিত নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতা রিয়েল এস্টেট এর মূল্য ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি সরবরাহপূর্বক বিক্রয় বা বরাদ্দকৃত রিয়েল এস্টেটসমূহ দখল হস্তান্তরের উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত কিস্তির অর্থ ব্যতীত কোন সুদ নেওয়া যাবে না।

রিয়েল এস্টেট এর সেবাসমূহ নিশ্চিতকরণঃ
(১) প্রসপেক্টাস বা বরাদ্দপত্রে বর্ণিত সেবাসমূহ যেমন: পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে ডেভেলপার রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরের পূর্বেই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে। 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণ সত্ত্বেও, সেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের সীমাবদ্ধতার কারণে যথাসময়ে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হলে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহে সেবা প্রাপ্তির দরখাস্ত দাখিলপূর্বক উদ্যোগ অব্যাহত রাখলে ডেভেলপারকে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করা যাবে না।

ক্রেতা কর্তৃক এককালীন মূল্য বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতাঃ
(১) ক্রেতা কতৃর্ক স্থিরীকৃত সময়ের মধ্যে রিয়েল এস্টেট এর এককালীন মূল্য বা কিস্তির মূল্য পরিশোধে ব্যর্থতার ফলাফল সম্পর্কে প্রসপেক্টাস বা বরাদ্দপত্রে বিশদ উল্লেখ থাকতে হবে। 
(২) চুক্তিতে বা বরাদ্দপত্রে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, কোন কারণে রিয়েল এস্টেট ক্রেতা এককালীন মূল্য বা কিস্তির অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ক্রেতাকে, রেজিস্টার্ড ডাকযোগে, অন্যূন ৬০(ষাট) দিনের পূর্ব নোটিশ প্রদান ব্যতীত তার রিয়েল এস্টেট এর বরাদ্দ বাতিল করা যাবে না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত বরাদ্দ বাতিলের ক্ষেত্রে ক্রেতার জমাকৃত অর্থ বরাদ্দ বাতিল আদেশের পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রাপকের হিসাবে প্রদেয় চেকের মাধ্যমে একত্রে ফেরত প্রদান করতে হবে।
(৪) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত বিধান অনুযায়ী কোন ক্রেতা বিলম্বে কিস্তির অর্থ পরিশোধ করতে চাইলে, দেয় কিস্তির উপর বিলম্বিত সময়ের জন্য কিস্তির অর্থের উপর ১০% হারে সুদ প্রদান সহকারে কিস্তি পরিশোধ করতে পারবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত বিধান অনুযায়ী ক্রেতা সর্বসাকুল্যে ৩ (তিন) বার কিস্তির অর্থ পরিশোধে বিলম্ব করলে ডেভেলপার সংশ্লিষ্ট ক্রেতার বরাদ্দ বাতিল করতে পারবে।

ডেভেলপার কর্তৃক রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থতাঃ
১) চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেভেলপার রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থ হলে রিয়েল এস্টেট এর মূল্য বাবদ পরিশোধিত সমুদয় অর্থ চুক্তিতে নির্ধারিত পরিমাণ ক্ষতিপূরণসহ ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে প্রাপকের হিসাবে প্রদেয়(account payee)চেকের মাধ্যমে ফেরৎ প্রদান করবে। তবে শর্ত থাকে যে, ক্রেতা ও ডেভেলপার যৌথ সম্মতিতে রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরের সময়সীমা সম্পূরক চুক্তির মাধ্যমে বর্ধিত করলে উপ-ধারা(২) এর বিধান অনুযায়ী ক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বা হার পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রে উল্লেখ না থাকলে পরিশোধিত সমুদয় অর্থের উপর ১৫% হারে ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত হবে এবং ডেভেলপার অনধিক ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) কিস্তিতে ক্ষতিপূরনের অর্থসহ সমুদয় অর্থ পরিশোধ করবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত ক্ষতিপূরণের সময় গণনার ক্ষেত্রে সমুদয় অর্থ পরিশোধের তারিখ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ সময় গণনা করতে হবে।

রিয়েল এস্টেট বন্ধক ইত্যাদিঃ
ডেভেলপার কর্তৃক বন্ধককৃত কোন রিয়েল এস্টেট ক্রেতা বরাবর বিক্রয় করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে, ক্রেতার সম্মতিতে বরাদ্দকৃত কোন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার কর্তৃক কোন ব্যক্তি, ব্যাংক বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বন্ধক রাখা যাবে। ডেভেলপার কর্তৃক নির্মাণাধীন বা নির্মিত রিয়েল এস্টেট সম্পূর্ণভাবে বা এর অংশবিশেষ কোন ব্যক্তি, ব্যাংক বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট ভূমি মালিকের সম্মতিক্রমে ডেভেলপার কর্তৃক বন্ধক রাখা যাবে। তবে শর্ত থাকে যে, হস্তান্তর দলিল সম্পাদনের পূর্বেই ডেভেলপারকে সংশ্লিষ্ট রিয়েল এস্টেট বন্ধক হতে দায়মুক্ত করতে হবে।

ক্রেতা কর্তৃক অর্থ ফেরত গ্রহণের নিয়মাবলীঃ
কোন কারণে ক্রেতা লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তাঁর অনুকূলে প্রদত্ত বরাদ্দ বাতিলপূর্বক পরিশোধিত অর্থ ফেরত গ্রহণ করতে চাইলে, ডেভেলপার আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ পরিশোধিত অর্থের ১০% অর্থ কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট অর্থ ক্রেতাকে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে এককালীন চেক বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ফেরত প্রদান করবে।

স্থাপত্য নক্শা বা দখল হস্তান্তর পত্র প্রদানঃ
(১) এপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বা ফ্লোর স্পেস ক্রয় বা বিক্রয়ের চুক্তিপত্র বা বরাদ্দপত্রে প্রস্তবিত ভবনে যে সকল ফিটিংস, ফিক্সার, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে তার বিবরণী সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) স্থাপত্য ও কাঠামো নকশা প্রণয়ন করবার সময় Building Construction Act, 1952(Act No. II of 1953) এ বর্ণিত যোগ্যতাসম্পন্ন স্থপতি, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কারিগরী ব্যক্তিবর্গের দ্বারা নকশা প্রণয়ন ও তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে।
(৩) স্থাপত্য ও কাঠামো নকশা প্রণয়নে প্রযোজ্য ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুসরণ করতে হবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত ভিন্ন কোন কারিগরী বিষয়ের জন্য ডেভেলপার প্রকৌশলী বা স্থপতি এর যৌথ ব্যবস্থাধীনে আন্তর্জাতিক মানের কোড অনুসরণ করা যাবে।
(৫) যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত অনুমোদিত নকশার কোনরূপ পরিবর্তন করা যাবে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত এপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বা ফ্লোর স্পেস এর স্থাপত্য নকশা এবং অনুমোদিত কারিগরী ব্যক্তি কর্তৃক প্রণীত কাঠামো নকশা ও বিল্ডিং সার্ভিসেস (ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, প্লাম্বিং, ইত্যাদি) এর নকশার কপি এবং দখল হস্তান্তর পত্র বা ডেভেলপার কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষর করে ক্রেতাকে প্রদান করতে হবে।

অপরাধ, বিচার ও দন্ডঃ
    #কোন ব্যক্তি নিবন্ধন গ্রহণ না করে কোন রিয়েল এস্টেট ব্যবসা পরিচালনা করলে তিনি অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১০(দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
    #কোন ডেভেলপার যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ ব্যতীত কোন রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের্ কাজ শুরু করলে কিংবা অননুমোদিত রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের বিজ্ঞাপন প্রচার বা বিক্রয় করলে অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। #রিয়েল এস্টেট এর সেবাসমূহ লংঘনের জন্য ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ডে, অনাদায়ে অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবে।
    #পূর্ব নোটিশ ছাড়া কোন ডেভেলপার ক্রেতার রিয়েল এস্টেটের বরাদ্দ বাতিল করলে অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
    #বিধান লংঘন করিয়া কোন ডেভেলপার রিয়েল এস্টেট বন্ধক রাখলে ১ (এক) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
   #কোন ডেভেলপার চুক্তিতে প্রতিশ্রুত রিয়েল এস্টেট ক্রেতার নিকট বিক্রয় না করে, ক্রেতার অজ্ঞাতে, অবৈধভাবে লাভবান হবার উদ্দেশ্যে, অন্যত্র বিক্রয় করলে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
   #কোন ডেভেলপার ক্রেতার সহিত সম্পাদিত চুক্তির অধীন প্রতিশ্রুত নির্মাণ উপকরণের পরিবর্তে, অবৈধভাবে লাভবান হবার উদ্দেশ্যে, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করলে বা যথাযথ পরিমাণ নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
   #কোন ডেভেলপার অনুমোদিত নকশা বহির্ভূতভাবে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
   #যদি কোন ডেভেলপার কোন ভূমির মালিকের সাথে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন বিষয়ে চুক্তি সম্পাদন করে বা ক্রেতা বরাবর রিয়েল এস্টেটের বরাদ্দপত্র সম্পাদন করে সে অনুযায়ী কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করে বা আংশিক কার্যক্রম গ্রহণ করে বিনা কারণে অবশিষ্ট কাজ অসম্পাদিত অবস্থায় ফেলে রাখে এবং তার জন্য ভূমির মালিককে বা ক্ষেত্রমত ক্রেতাকে কোনরূপ আর্থিক সুবিধা প্রদান না করে তাহলে তা এই আইনের অধীন একটি প্রতারণামূলক অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং ঐ অপরাধের জন্য ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। কোন ডেভেলপারের সাথে কোন ভূমির মালিক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য চুক্তিবদ্ধ হবার পর চুক্তিতে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভূমির দখল ডেভেলপারের অনুকূলে হস্তান্তর না করলে অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। কোন ডেভেলপারের সাথে কোন ভূমির মালিক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য চুক্তিবদ্ধ হবার পর চুক্তির শর্ত মোতাবেক ডেভেলপারের অনুকূলে সম্পাদিত রেজিষ্ট্রার্ড আম-মোক্তারনামা অন্যূন ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নোটিশ না দিয়ে বাতিল করলে অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। কোন ভুমির মালিকের সাথে কোন ডেভেলপার কোন রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য চুক্তিবদ্ধ হবার পর চুক্তির শর্ত মোতাবেক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমির মালিকের অংশ ভূমির মালিকের অনুকূলে হস্তান্তর না করিলে কিংবা ক্ষেত্রমত, দখল বুঝিয়ে না দিলে অনূর্ধ্ব ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। এই আইনের অধীন দন্ডনীয় অপরাধসমূহ আপোষযোগ্য, জামিনযোগ্য এবং অ-আমলযোগ্য।

(সংগৃহীত)

ভিসা ছাড়াই বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ !

এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই ঘুরে আসতে পারেন অনাআসে । আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসার প্রয়োজন হয়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে শুধু ফি দিলেই ঘুরে আসতে পারেন আনাআসে ।

যেসব দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে
ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে-  ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস), আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস), ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া (৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে
যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার), জর্জিয়া (৩ মাস), লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন), নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার), সিরিয়া (১৫ দিন), পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ), মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার), টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু  অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে । কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিবেন ভালোভাবে ।

লঞ্চ ও স্টীমার -এর তথ্য - বাংলাদেশ

Destination

Departure Time
Destination
Return Time
Sadarghat, Dhaka To Bodortuni

02:00am, 06:15pm, 07:00pm, 07:30pm, 08:05pm, 08:30pm, 08:45pm 
Bodortuni To Sadarghat, Dhaka
07:00pm, 08:00pm, 08:45pm, 09:0pm, 09:30pm, 10:00pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Lohonia

11:30pm, 12:00pm 
Chor Lohonia To Sadarghat, Dhaka
10:35am 
Sadarghat, Dhaka To Churirchor Rastar Matha

08:35am, 10:00am, 09:30pm 
Churirchor Rastar Matha  To Sadarghat, Dhaka
09:40am, 09:20pm, 09:45pm 
Sadarghat, Dhaka To Chormalia

05:30pm, 06:00pm, 06:15pm, 07:00pm, 07:45pm 
Chormalia To Sadarghat, Dhaka
04:00pm, 06:50pm, 07:10pm, 08:10pm 
Sadarghat, Dhaka To Chormonai

05:30pm, 06:15pm, 07:45pm, 09:45pm 
Chormonai To Sadarghat, Dhaka
12:45am, 04:00pm, 07:45pm, 07:55pm, 09:35pm 
Sadarghat, Dhaka To Churamon

05:30pm 
Churamon To Sadarghat, Dhaka
04:50pm 
Sadarghat, Dhaka To Challis Kaunia

06:00pm, 05:00pm 
Challis Kaunia To Sadarghat, Dhaka
05:00pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Dargapur

09:15pm, 09:45pm 
Chor Dargapur To Sadarghat, Dhaka
07:25pm, 08:15pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Kashim

08:35am, 10:00am, 10:25am, 09:30pm, 10:30pm 
Chor Kashim To Sadarghat, Dhaka
12:30am, 12:45am, 02:25am, 10:15am, 01:45pm, 11:40pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Jalarpur

08:05am, 10:25am 
Chor Jalarpur To Sadarghat, Dhaka
10:35am, 08:10pm, 08:30pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Madabipur saikha

10:25am 
Chor Madabipur saikha To Sadarghat, Dhaka
07:30pm 
Sadarghat, Dhaka To Chor Mizara

08:05pm, 08:45pm 
Chor Mizara To Sadarghat, Dhaka
10:45pm, 11:45pm 
Sadarghat, Dhaka To Chowdhury Hat

06:15pm 
Chowdhury Hat To Sadarghat, Dhaka
04:20pm 
Sadarghat, Dhaka To Chandpur

09:25am, 09:55am, 10:15am, 07:30pm, 08:30pm, 09:00pm, 11:20pm, 12:00pm, 12:30pm,  
Chandpur To Sadarghat, Dhaka
02:00am, 02:30am, 03:00am, 03:30am, 03:55am, 11:00am, 11:15am, 11:35am, 11:40am, 12:00pm, 12:20pm, 12:30pm, 12:40pm, 12:45pm, 10:45pm, 11:00pm, 11:15pm, 11:40pm, 11:50pm 
Sadarghat, Dhaka To Baharchor

08:00pm 
Baharchor To Sadarghat, Dhaka
09:00am 
Sadarghat, Dhaka To Bonnatoli

08:00pm 
Bonnatoli To Sadarghat, Dhaka
01:20pm 
Sadarghat, Dhaka To Bohoriya

09:35am, 09:55am, 10:15am, 11:20pm, 12:00pm, 12:30pm 
Bohoriya To Sadarghat, Dhaka
11:15am, 11:45am, 10:40pm, 11:15pm, 11:20pm 
Sadarghat, Dhaka To Boysher Hat

09:35am, 09:55am, 10:15am, 11:20pm, 12:00pm, 12:30pm 
Boysher Hat To Sadarghat, Dhaka
10:50am, 11:00am, 09:50pm, 10:15pm, 10:40pm 
Sadarghat, Dhaka To Bangla Bazar

09:35am, 09:55am, 10:15am, 11:20pm, 12:00pm, 12:30pm 
Bangla Bazar To Sadarghat, Dhaka
09:55am, 10:30am, 09:30pm, 10:20pm, 10:45pm 
Sadarghat, Dhaka To Boyan

02:30pm, 04:00pm 
Boyan To Sadarghat, Dhaka
06:30pm, 03:30pm