রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৪

বাড়ি তৈরী করার বা বাড়ি বানানোর নিয়ম

ঢাকা বা ঢাকার আশেপাশে আছে আপনার এক টুকরো জমি। যেখানে করতে চান স্বপ্নের একটি বাড়ি। বাড়ি বানানোর জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি’র নিয়মকানুন মেনেই বাড়ির নকশা করতে হবে। অন্যথায় আপনার জীবন ও আশেপাশের পরিবেশ দুটোই পড়বে ঝুঁকির মধ্যে।

বিল্ডিং কোড বা বিএনবিস ২০০৮ এর ৫১ ধারায় বাড়ি বানানো সময় ‘ম্যাক্সিমাম গ্রাউন্ড কভারেজ’ বা এমজিসি’র একটি চার্ট অনুসরণ করতে হয়। এতে জমির আকার অনুযায়ী কী পরিমাণ জায়গা ছেড়ে কয়তলা ও কতবড় ভবন নির্মান করা যাবে, সেটা উল্লেখ করা আছে।

এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে— যদি জমির পরিমাণ দুই কাঠার মধ্যে হয় তবে জমির মালিক শতকরা ৬৭.৫ ভাগ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। তাকে প্রায় এক তৃতীয়াংশ জমি ছেড়ে বাড়ি বানাতে হবে।

তবে, তিনি ‘ফ্লোর এরিয়া রেশিও’ বা ‘ফার’ পাবেন ৩.১৫। মানে, ২ কাঠা জমি x ৩.১৫ ফার = ৬.৩০ কাঠার জমির সমপরিমাণ জায়গা ভবনে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, জমির আকার যত বড় হয় তত বেশি (ফার) পাওয়া যায়। ‘মেক্সিমাম গ্রাউন্ড কভারেজ’ও তখন কমতে শুরু করে।

এছাড়া জমির পাশে যদি ১৮ মিটার রাস্তা থাকে সেখানে যে কোনো আয়তনের জমিতে ৬ ফার পাওয়া যাবে। অর্থাৎ জমি যদি ৩ কাঠাও হয়, সেই জমিতে ১৮ কাঠা জমির সমপরিমাণ জায়গা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে।

২০০৮ সালে প্রকাশিত ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে একটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়ি বানানোর আগে সরকার অনুমোদিত স্থপতির মাধ্যমে তৈরি করা নকশার অনুমতি নিতে হবে।

আবার, নির্মাণ কাজ শেষে সেই স্থপতি এই মর্মে সম্মতি জ্ঞাপন করবেন যে, তার দিক-নির্দেশনামতো বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। বিল্ডিং কোড অনুযায়ী কোনো বিষয়ে নিয়মকানুন অনুসরণ না করার জন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তিনি দায়ী থাকবেন।

link 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন